দেবযানী বসু/জুন২০২২




অমরাবতীর সিন্ধু রাগ


অমরাবতীর সিন্ধু রাগ -- ১

প্রমিথিউসের যকৃতে আঁচিল ছিল।
এই দৃশ্যের পরে যবনিকা অর্ধেক নেমে আটকে যাওয়ায় প্রচুর লাল শাপলা চোখে ঢুকে যায়। ঝিলের এস্পার ওস্পার
  দেখে নিয়েছে শোলে দেখা যুবক যুবতীরা। অসীম বাগান পায়চারি আমাদের। কফিতে চাঁদচূর্ণ নেড়েচেড়ে চনমনে হয়ে উঠেছিলাম। মেরুদণ্ড জুড়ে বৈদ্যুতিক স্ট্রোব জনিত ঝড়। মেরু-আশ্বাস। রাশি রাশি অধৈর্যর কিছুটা বন্ধুজনে বিলি কোরে নায়ক নায়িকা আমরা। মানুষরাও যখন জনমানব ছিল তখনকার সূচিকর্ম ভরে বুনো ফুল বুনো কুল। কেউ মেরুদণ্ডে শান দিয়ে বাজাচ্ছে মাউথরগ্যান। বিকল্প ধারের চাপ আমার চিঠি বাক্সে।

অমরাবতীর সিন্ধু রাগ --২

এক সিগারেট পরমায়ুর শেষে মানস সরোবর আর হংসকেলি। ফিল্টারে অপরিশোধিত অনুরাগ। ঈগলের ডানার বিস্তৃতি নিয়ে ঝিল পার হতে চাইছে। দু কানের পাশ দিয়ে  রক্ত আলতা কি সুখ কি গড়িয়ে পড়ছে বেঘোরে বোঝা অসম্ভব। জল কতোটা রেগে থাকে শরতে বসন্তে আঁচ করে নিই। প্রজেক্টের টাওয়ার দোলায় ঈগল। এখন তো হাঁটতে হাঁটতে পা হারিয়ে গেছে। হৈ হুল্লোড় তোলা পথ। পথ বাঁকানোর খেলা সেরে রাখি। বীভৎস মজা লাগে যখন বন্ধ দরজার সামনে থেকে ফিরে আসি। দরজা আদৌ খুলবে কিনা চোরদের স্বর্গবাস দেখে বোঝা যায় না। কাঁটাচামচের সংসারে দূরস্থ সোনার পাখির ফল খাওয়া চলতে থাকে।   

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন