সাম্প্রতিক

6/recent/ticker-posts

তিলোত্তমা বসু




মৃতসঞ্জীবনী 




কদিন এমন করে কেটে যায় – পলক পড়ে না ।
জিজ্ঞাসাচিহ্নের মতো লোকজন । আহ্নিকগতির কাল চুরি করে উড়ে যেতে চায়  একাবোকা হাজার কিউইপাখি । কুয়োর ভিতরে শুধু ব্যাঙেদের ছোটো ছোটো লাফ ,
শ্যাওলা-সাঁতার । এ গ্রহ নজরবন্দি ।


ক্রমে আর্তনাদ চুপ হয়ে আসে । জল দিয়ে গিলে ফেলা দারুণ উদ্বেগ । নিজেকেই গিলে ফেলা নয় ? আগুনে বরফে আর তফাৎ তো নেই ।
 ইচ্ছের সমাধিক্ষেত্রে এ কেমন  হাওয়া বয় ! কেউ কারো নামই জানে না যেন । 
নিজের পালকে গুঁজে মুখ মুহূর্তকে শুধু
 রাখছে বাঁচিয়ে ছাতারপাখিরা ।


দু – অক্ষরে সেই শব্দ --- ভয় পাই  যাকে । বিপরীতে সরে যেতে চাই । জন্ম ... জন্ম হোক । বাদামের বনে এসে দেখা হোক দুজন মনের । বরফের বহু নিচে তারা ... যেন জেগে ওঠা সালোকসংশ্লেষ । 
সূর্যের ক্ষমার আলো যদি এসে পড়ে
 আবার কখনো ... সুন্দর চাবির রিঙ কেনাবেচা  শুরু হবে এ বন্ধ শহরে ।


হলুদ মোটর কার পিছু নেবে সুন্দরী টোটোর ,
“ কাজ রাখো , সরে এসো কাছে .. “ – পুরুলিয়া 
বলবে কাঁথিকে । এ ভাবে ফিরবে দিন ...
 যেভাবে কবিতা ফেরে নির্জন দুপুরে , অক্ষরের কাছে । ফের চেনা চেনা লাগে  – দেখেছি কি
 পূজোর সময়... ও জগৎধাত্রীরূপে ?


জানি আছ । জানি তোমারও  কষ্ট হচ্ছে খুব ।
ঝড়ে ভাঙা ঘর তুলছ আবার । মই বেয়ে উঠে ,
ঝুঁকি নিয়ে সারাচ্ছ আকাশ । চিকিৎসকের ডিউটি দিয়েই যাচ্ছ রাতভোর । বিষুবরেখা
দুই হাতে আগলাচ্ছ প্রাণপন তুমি ।
 বিশ্বাস বেঁচেই আছে ঝড়ে ভাঙা ঘরে ,
 ভোরের নমাজ হয়ে  --- মৃতসঞ্জীবনী !


 তিলোত্তমা বসু