চিরঞ্জীব হালদার

 



দুটি কবিতা


খেলা


 

চরিত্র এবং কৌশলের মধ্যে অস্তরাগের খেলা চলে

 

আজানুলম্বিত দৃঢ়তা আর মেঘলা দিন ভেদ করে উঠে আসা  বাহুবলী

রচিত বেপরোয়া ঘুঁটি

 

সব সমীকরণ মুখস্থ করার পর যা পড়ে রইলো

যা তোমার বশে নেই অথচ তোমার ছায়া দিয়ে

অন্যেরা লাভজনক বোনভোজনের ফূর্তিগুলো সংগ্ৰহ করলো গোপন খাতায়

 

সবাইকে ভৌগলিক ভাবে নিরীক্ষন করা হবে

যারা নাভিতে চতুরতা জমিয়ে এগিয়ে দিচ্ছে দান

 

সন্দেহজনক গন্তব্যগুলো ঠিক কতটা লিপিবদ্ধ করার পর খুলে নেওয়া হবে

আমাদের দু'শ ছটা ক্যালসিয়াম 

ধর্মাবতার আপনি ভাবেন আমরা অপরাধী

তাহলে দুধসরোবরে কেন খিলজীর প্রেমিকাকে 

চোখ বেঁধে কোন এক মিথিলা স্তম্ভে জমিয়ে রাখলেন

 

আগামী তিনশো বছর কোন অন্তর্বাস পরবে না আমাদের কুন্তী

 

 

রুমাল


 

আমার এক প্রাক্তন বন্ধুর

মেসেজ এর বিষয় ছিল 

তার একটি বিশেষজ্ঞ লোক দরকার 

যে রুমালে পকেট বানাতে ওস্তাদ

 

কলাগাছের নৌকা বানানোর গপ্পোবাজ লোকটা 

কাল শুনি মারা গেছে 

স্মৃতির শানানোর অ্যাপ ডাউনলোড করার আগে

তার ছেলের নামটা মনে করার চেষ্টা করছি

 

এখনো জানা হয়নি স্মৃতি আর রুমালের 

নির্ধারিত জেন্ডার ঠিক না হলে একটি হারানো রুমাল

হয়ে উঠবে উন্মাদের পাঠশালা

 

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন