স্নিগ্ধদীপ চক্রবর্তী

 




একটি অসমাপ্ত গল্প 



মুখটা অনেকক্ষণ ধরেই চেনা-চেনা লাগছিল। 

অনেক সাধারণের মধ্যে বিশেষকে যেমন চিনে নেওয়া যায়, এ-মুখ তেমন। কিন্তু, আমি যাকে সাসপেক্ট করছি, তা যদি সত্যি হয়, তাহলে এক্সপেক্টেড আরও একজনের সঙ্গে থাকার কথা। দেখছি না। আশপাশটা একঝলক স্ক্যান করে নিলাম। নাহ্‌... এক ঝাঁক তরুণী। পিঠব্যাগ। বরফগলা হাসি। লেসফিতেওয়ালা, চিনেবাদামের হকার। দু-জন চক্ষুষ্মান খঞ্জনীওয়ালা নির্ধারিত ট্রেনের বগিতে ওঠার আগে শেষবারের মতো অন্ধের মহড়া সেরে নিচ্ছে। 

আমারও কেমন অন্ধ হতে ইচ্ছে হলো। 

তিনটে ট্যুর প্ল্যান ক্যানসেল করার পর বন্ধুদের হাতে খুন হবার হাত থেকে বাঁচতে শেষমেশ বেরনো। উইক-এন্ড। অযোধ্যাপাহাড়। আপাতত স্টেশনের ইলেকট্রনিক বোর্ডের নিচে দাঁড়িয়ে মানুষের দৌড় আর ট্রেনগুলোর মন্থর নড়াচড়া দেখছি। আমার ট্রেন শামুকের মতো প্ল্যাটফর্ম নিচ্ছে।

একবার ভাবলাম ডেকে দেখি। পরক্ষণেই মনে হলো, কেন ডাকব? ও আমার কে? স্বপ্ন সত্যি হলে ভালো লাগে। সন্দেহ সত্যি হলে লাগে না। 

আবার নিছক খটকার বশে এগনো ঠিক হবে না ভেবেও পিছিয়ে যাচ্ছি।  

মনে পড়ল:

সময়টা ঠিক মনে নেই। কোনও কুয়াশার কফিনবন্দি ভোরে যাচ্ছি কোথায় একটা যেন। রাস্তা প্রায় সুনসান। গোটাকয় ভিখিরি শুধু বাংলা বর্ণমালার হরফ হয়ে শুয়ে। কী জাদুতে শীতের প্রবল ছোবল জয় করেছে কে জানে! লাইটপোস্টের আলো রূপকথার দৈত্যপুরীর বর্ণনার মতোই রোমাঞ্চকর।

হঠাৎ— আরে— স্মিতা-ই তো! কোথায় যাচ্ছে এই অসময়ে?

হেসে বললাম— কীরে, কোথায় চললি সক্কাল-সক্কাল?

স্কার্ফ সরিয়ে ‘বাহির হয়ে এল’ যে, সে মুখ না— আয়না, সে আর সময় দিল না— মেয়ে দেখলেই কথা বলতে ইচ্ছে করে, না?  

ঘটনাটা মনে পড়তেই হাসি পেয়ে গেল।

হঠাৎ পর্ণা।

চেনা-চেনা মুহূর্তে চেনা। 

—একা একা হাসছিস যে বড়!      

— নাহ্‌, এমনি।

অদ্ভুত এক মেয়েলি গন্ধ অনুভব করলাম।

জিজ্ঞেস করল— কেমন আছিস?

আমি বললাম— অসাধারণ।

ভাবলাম, মেয়েরা কত সহজে সহজ হতে পারে।

পর্ণার সঙ্গে আমার সম্পর্ক ঠিক বন্ধুত্বের ছিল না। আমরা বলতাম রামধনু বন্ধুত্ব। এখনকার মতো বেনিফিশিয়াল ফ্রেন্ডশিপের ধারণা তখন অবশ্য চালু হয় নি। একটা দারুণ ভূগোল ছিল আমাদের। বাড়ি। কলেজ। ক্লাস। ব্যাচ ও ঘনিষ্ঠতা। 

তারপর চালাচালি শুরু হওয়া— নোট। নোট উহ্য হয়ে যাওয়া। সিনেমার মতো দুপুরের ব্যবহার শেখা। কবিতার মতো রাত্রির।  সেসব কথা আজ আর তেমন মনে নেই। যেমন মনে পড়ে না, কীভাবে লাটাই থেকে সুতো ছিঁড়ে যাওয়া ঘুড়ির মতো পর্ণা আমার জীবন থেকে সরেও গেল সেই সব।

মনে পড়ে না কিংবা মনে করতে চাই না। ‘হৃদয় খুঁড়ে বেদনা’ জাগিয়ে কী লাভ! শুধু মনে আছে, শুভময় দা-র কাছে আমরা সবাই অঙ্ক শিখলাম, পর্ণা— পদাবলি! 

যে পৃথিবীতে এই বিষণ্ণতা এসেছে, আমি তো কই সব কিছু সহজ করে নিয়ে জিজ্ঞেস করতে পারলাম না যে, কেমন আছিস, পর্ণা?  

মুখের দিকে তাকালাম। কোথাও বিন্দুমাত্র গ্লানি নেই। শেষ বিকেলের ঝলসে দেওয়া আলো জংশন স্টেশনের সমস্ত ভিড় টপকে যেন ওরই মুখে পড়ে বিন্যস্ত হচ্ছে। মনে হলো, ওই মুখ কত চেনা; মনে হলো ওই চোখের ভাষা যা কিনা জটিলতম ভাষার থেকেও জটিল— তা-ই কতদিন কতভাবে কত অনায়াসে পড়ে ফেলেছি।

ওই নিঃশ্বাসের প্রস্রবণে স্নাত হয়েছি কতবার।

—কীরে, কিছু তো বল!

পর্ণা। 

—কী বলব? 

—যা ইচ্ছে।

মনে হলো, এই তো ছিল আমাদের কথা বলবার একদম নিজস্ব শৈলী। যেন কারওরই কিছু বলার থাকত না, অথচ সেই না-কথার স্রোতে কেটে যেত সময়।

ভাবলাম, সেই কথোপকথন আর তার গোপন অলিগলি তো কবেই মরেছে। তার সহসা উজ্জীবনে তবু খুব নির্লিপ্ত হতে পারলাম না। 

আমি তো পর্নাকে বলতেই পারতাম— আসি রে আজ। তাড়ায় আছি। ট্রেন ধরব। মনে-মনে বলতাম—  বাঁচা গেল। 

ভালোবাসার আঘাত প্রথমে দুঃখের হ্রদ হয়। পরে অভিমানের নদী হয়ে রাগ আর ঘৃণার সমুদ্রে মিলে যায়। 

তবু কিছু বলতে পারলাম না।

সত্যিই কি আমার রাগ নেই? অন্তত থাকাটা কি উচিত নয়? হয়তো নয় কিংবা হয়তো...

তুই তো আজকাল, পর্ণা বললো, বেশ নামটাম করেছিস শুনলাম।

বললাম— শুনলি?

—শারদীয়াতে একটা গল্প পড়লাম তোর। 

—অফিসে প্রেসার খুব। ওর মধ্যেই... ওই আর কি... কেমন লাগল?

—বেশ। 

এটা ভালো লাগার না বলতে-হওয়া বলার, সেটা বোঝার সাধ্য যে আমার নেই একথা অবশ্য একশোবার স্বীকার করতে হয়। 

—তোর সঙ্গে কিছু...

ভাবলাম, থাক্‌ না, অনেক তো হলো। আমার আর নতুন করে কিছুই বলার নেই। শোনার নেই। তাছাড়া কথার কুলকুচি এখন আর ভালোও লাগে না। তখনই তাল কাটল। ঘড়ির দিকে তাকিয়ে ফেলেছি ভুলে। 

—সি-ওয়ান তো? চল এগোই। 

—মানেটা কী? তুই কোথায় যাবি? 

—তুই কোথায় যাচ্ছিস? 

—পুরুলিয়া। ট্রেন যেখানে যাবে। 

—আমিও... তুই যেখানে যাচ্ছিস।  

লিটারেলি ঘাম হচ্ছে এবার। 

পর্ণা গায়ে কাঁটা দেওয়া হাসল— “আমি পরানের সাথে খেলিব আজিকে মরণখেলা”— তোর প্রিয় লাইন ছিল না?

—কিন্তু...কিন্তু... আমার সি-ওয়ানে বুকিং তুই জানলি কী করে? 

—গোয়েন্দা লাগিয়েছিলাম পিছনে। 

আমি শুকনো গলায় বললাম— কী বলছিলি বল। 

—আচ্ছা সন্দেহবাতিক লোক তো তুই! আরে বাবা, একটু আগে ফোনে কাকে যেন একটা বললি। চিল্লাচ্ছিলি যা, তাতে ব্রিজ থেকেও কথা শোনা যাবে। 

ধাক্কা খেলাম। মেয়েরা অদ্ভুত সমস্ত সেন্টিমেন্টাল সিচ্যুয়েশন তৈরি করতে পারে। 

বলল— লাভক্ষতির অঙ্ক মনে আছে তোর? 

যথেষ্ট প্যাঁচ রয়েছে প্রশ্নটায়। 

বললাম—দ্যাখ, পুরনো কাসুন্দি যত কম ঘাঁটা যায় ততই মঙ্গল। 

পর্ণা একটু দমে গেল।  

বললাম— কথা যদি প্রসঙ্গে আসে ঠিক আছে। আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন প্রসঙ্গ তুলিস না প্লিজ।

—তা হলে শুনবি না?  

হেসে বললাম— পূর্বোক্ত শর্ত প্রযোজ্য। 

—সত্যিই তুই অনেক বদলে গেছিস! 

—বদলায় তো সবাই। তুই বদলাস নি? ইন দ্য বেটার সেন্স বলতে পারিস নিজেকে বদলে ফেলতে হয়েছে। 

পর্ণা চুপ। 

বললাম— দ্যাখ, উন্নত জীব মানেই অভিযোজী আর—

—থাক্‌, বায়োলজি ঝাড়িস না। 

একটু রেগে উঠল। 

গুমোট কাটাতে বললাম— পর্ণা, তোকে খুব সুন্দর দ্যাখাচ্ছে আজ।

আগে প্রায়ই বলতাম কথাটা।

পর্ণা বলত— তোর তো আমাকে সব সময়ই সুন্দর লাগে।

আমি বলতাম— ঠিক আছে, আর কখনও বলব না এবং আবার বলতাম। 

হেসে ফেলত ও ওর আশ্চর্য কলস্বনা ভঙ্গিতে।

এখন কোনও উত্তর করল না। 

বললাম— তোকে আমি অবিশ্বাস করছি না। কথা তোর থাকতেই পারে। কিন্তু এটাও তো সত্যি— আজ এই স্টেশনে তোর সঙ্গে যদি দ্যাখা না হয়ে যেত, তাহলে তোর কোনও কথাই থাকত না, তাই না?

মোক্ষম একটা কাহ্নিক পরাতেই লাট খাওয়া ঘুড়ি গোঁত্তা মেরে উঠল।

বলল— থাকলেই বা কী করে বলতাম? তোর সঙ্গে যোগাযোগের কোনও উপায় তুই রেখেছিস?

আমি একটা প্রবাদ উল্লেখ করতেই পারতাম। করলাম না। কথা বাড়ালেই বাড়ে। 

আমি তো কত চেষ্টা করেছিলাম, ও বলে চলল, কিন্তু একটা এফবি অ্যাকাউন্ট অবধি তোর নেই!

আমি একটু রহস্য করে বললাম— ওসব সোস্যাল মিডিয়া আমার মতো আনসোস্যালদের জন্য নয় রে! 

আগে হলে, না বুঝলে, জোর করে বুঝতে চাইত। কিন্তু আজ বুঝল, বা উড়িয়ে দিল অথবা এড়িয়ে গেল। 

মৃদুস্বরে শুধু বলল— তোর কথার স্টাইল কিন্তু আগের মতোই আছে।

আসলে আমিই আগের মতো আছি, আমি বললাম।   

ও বলল— না।

আমি বললাম— হ্যাঁ। 

কিছু আর বলল না পর্ণা।

বললাম— তোর বিয়ে হয় যখন, আমি তখন বাইরে। এমবিএ করছি। খবর পেয়েছি। এ’টুকুই। এর বেশি কিছু জানতে যাইনি। যোগাযোগ রাখারও কারণ দেখিনি। কী হতো রেখে? পুলিশ ফাইল্‌সের এপিসোড?  

—তুই ওর সম্পর্কে কতটা জানিস?  

মনে-মনে বললাম— শুভময় দা-কে আমার ঢের চেনা আছে। সাক্ষ্য নিষ্প্রয়োজন।   

চুপ করে রইলাম। 

ও বললো— তুই বিয়ে করবি না?

কী অদ্ভুত প্রশ্ন। আমি বিয়ে করি না করি ওর কী? 

হাসলাম— হঠাৎ এই প্রশ্ন? 

—নাহ্‌, এমনি। 

—বিয়ে করিনি, একথা তোকে কে বলল? 

—আমি সব জেনে যাই।

ভাবছি— তাই নাকি!

অবশ্য করলেই বা কী, ও কেটে-কেটে বলল, আমাকে তো আর নেমন্তন্ন করতিস না! 

এত চমকাচ্ছে কেন ও! 

বললাম— কী করে জানলি?

—মন পড়ার জন্য ঈশ্বর তৃতীয় একটা চোখ দিয়েছেন আমাদের, জানিস না? 

অথচ তৃতীয় চোখ থেকেও সেদিন আমার মন পড়তে পারিস নি, ইচ্ছে হলো বলি।    

ওপর-ওপর ম্যাদা মেরে আছি।

বেমালুম সত্যিটা ধরা পড়ে গেছে। সত্যিই তো করতাম না।

কেন? চমক দিতে যদি সত্যিই চলে আসে নিতে পারব না বলে? 

হয়তো।

অস্বস্তিকর নৈঃশব্দ্য ভেঙে বললাম— আসি।

আমার আর একটুও থাকতে ইচ্ছে করছে না এখানে। কী বা কে যেন আমার জীবনে দীর্ঘকাল অনুপস্থিত ছিল; আজ তার অবাঞ্ছিত পুনঃপ্রবেশ ঘটেছে।

ও বলল— অনুমতি নেওয়ার তো প্রয়োজন নেই। যা না!

আমি বললাম— এ’রকম সম্ভাষণ হলে কি যাওয়া যায়?

—আমি তোকে তো আটকে রাখিনি। 

—হাত নয়— শব্দরজ্জু! 

—এতক্ষণ যখন দয়া করলি, আর একটু কর। 

কেমন একটা অন্য সুর ফুটে উঠল পর্ণার গলায়।

আমি একটু চুপ থেকে বললাম— ঠিক আছে, কিন্তু কেন?

—শোন, আমারই বয়েসি এক ভদ্রলোককে ডেকে পর্না বলল, এই সেই কৃষ্ণাংশু, ওর কথা তুমি আমার মুখে শুনেছ। পুরুলিয়া যাচ্ছে। 

—নমস্কার।  

আমিও প্রতিনমস্কার করলাম।

ভদ্রলোক জাস্ট ঢুকেছেন সিনে। হাঁপাচ্ছেন একটু-একটু। 

আমার দিকে তাকিয়ে: আপনার কথা অনেক শুনেছি আপনার বন্ধুর মুখ থেকে। খুবই দেখবার ইচ্ছে ছিল। ভাগ্যচক্রে আজ হয়ে গেল। 

পর্ণাকে: তোমার স্কুলের চাকরি অনেক ভালো। আর আমার? যতবার বেরতে যাচ্ছি একটা-একটা করে ফাইল গছিয়ে দিয়ে যাচ্ছে টেবিলে! অসহ্য।  

চোখে গ্লিসারিন এনে পর্ণা বলল— আমাকে হিংসে করেই তুমি শেষ হলে গো!   

একচোট সৌজন্যের হাসাহাসির অংশ হতে হল। 

—একদিন বরং চলেই আসুন আমাদের বাড়ি। আড্ডা হোক। 

মিথ্যে বলব না, ভদ্রলোকের বলায় যথেষ্টই আন্তরিকভাব ছিল। 

তখনও একটা ঘোরের মধ্যে আছি।

ভদ্রলোক ঠিকানাটা বললেন। আমি বিনা বাক্যব্যয়ে যন্ত্রের মতো টুকে গেলাম। 

জিজ্ঞেস করলাম— তোর বর?

—হ্যাঁ। 

একটা বিস্ময় ছিটকে এল জিভ থেকে। 

— কিন্তু... কিন্তু...?

শুভময় দা-র বিয়েতে তোকে বলেছিল রে? সহেলি, অভিষেক, উত্তরাদের বলেছিল দেখলাম। ছবিতে। আমাকে বলেনি জানিস! না বরফ না মাখন গলায় বলল, পর্ণা।

ওর মাথার ঠিক আছে তো? কীসব বকছে আবোলতাবোল? 

একটু রাগতস্বরেই এবার বললাম— আমাকে বলতে যাবে কোন দুঃখে? আমি কি ওর বিয়ের খাওয়া খেতে বসে আছি?    

পর্ণা দমফাটা হাসছে। যেন এইমাত্র কোনও হাসির নাটক হয়েছে।   

—এবার যা, আর তোকে আটকাব না। 

—তোরা উঠবি না? 

পর্ণার কাছে সেই মুহূর্তেই শেডের মাথার ফাঁকা দিয়ে দেখা যাওয়া একটুকরো আকাশ আর পাখিদের ঘরে ফেরার দৃশ্য ভারি চমৎকার মনে হলো।

ভদ্রলোক উত্তর করলেন। 

—আমাদের ট্রেন ছাড়ার সময়ও এই হয়ে এল বলে। আপনার ১৮, আমাদের ১৭। একটা প্ল্যাটফর্মের ব্যবধান। 

ঠাট্টা করবেন, এমন সম্পর্ক ভদ্রলোকের সঙ্গে আমার নয়। ভদ্রলোককে কবি-দার্শনিক বলেও মনে হয়নি আমার।

হঠাৎ পর্ণার মুখ মুছে গিয়ে একটা অজর প্ল্যাটফর্ম আর দু’টো জড় ট্রেন আমার জন্য জ্যান্ত হয়ে উঠল।

মনটা অসম্ভব হালকা লাগছে, শরীরও। ট্রেন ছাড়বে, বাঁশি দিচ্ছে জোর। টালমাটাল পায়ে উঠে পড়লাম। 

পাশজানলা থেকে ট্রেনের বাঁকবদলের সঙ্গে-সঙ্গেই চাঁদটাকেও এমাথা-ওমাথা করতে দেখছি। যেন মেঘের সাবানে চোখ বুজে যাওয়া একটা লোক অথবা লোকগুলোকে নিয়ে লোহার একটা বহুপদ প্রাণি দু’পাশের জলস্থল ছিন্ন করে ঝমঝম জ্যোৎস্নায় চান করতে ছুটেছে। 

 

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন