অভিজিৎ দাসকর্মকার

 


দুটি কবিতা


 ডাউন ট্রেন কর্ড লাইন লোকাল



 

...আরও নিম্নগামী হোতে চায় চোখের দৃশ্য-জল।  

 

মন বলে বস্তুটির পাশে উনকোটি প্রত্নস্বাক্ষর_____ 

 

অক্ষরে অক্ষরে মননের আদর্শলিপি কথা বলে;  তবুও

আবশ্যিক কোন documents দেখতে পাচ্ছি না

 

জ্যোৎস্নার সময়সীমায় চাতক পাখিটি রংবদল করে। 

     কালো।  বাদামি।  সাদা। 

    

নির্ধারিত ভাবে আকাশ আর গিরগিটির পোশাক বদলে শীতকালের সকাল আর গ্রীষ্মের দুপুরে ডাহুক পাখি ডাকে।  

 

       সময়ক্ষণটির ছায়ার পিছনে আবদ্ধ হচ্ছি। 

 

ডাকছে আর ভাঙছে শীততাপনিয়ন্ত্রিত ঈষদুষ্ণ শরীরী কারু-কোষ ।

 

ও বলা হয় নি, আজ নিরুত্তাপ ছিলো স্টালিনের স্বেদনজল

এবং 

    ১টি ঘোষণায়

ডাউন ট্রেন কর্ড লাইন লোকাল ৩৩ মিনিট লেটে চলার খবরে 

      গোটা পলাশ চত্তরের সরলরেখা জ্যামিতি বক্স হাতে ত্রিকোণমিতি করছে_____

 


 

 


 ২

অভিযোজন থেকে অভিসার নামে চিল্কার পাড়ে


 

জানালাটা কলেজ-ক্লাস থেকেই শুকনো বাদাম গাছের তলায় একা দাঁড়িয়ে, 

আজও মনটানা করিডর আর সাইকেল রাখা দৃশ্য গনতান্ত্রিক,তবুও চারিদেকে পরিমিত মার্জিন ও মাত্রা 

 

মননের পাশে বাবুইপাখিটি সক্রেটিসের বাসা বেঁধে ফেলেছে শব্দকিশোরের সাথে,

এখনো আমি অভিনয়ে আছি মেজর বারবারা,আর 

স্বপ্নের বাইরে দাঁড়িয়ে সনেট-৭৩ মশারির বাইরে দাঁড়িয়ে 

 

হ্যালানো মিনার থেকে শ্রীকৃষ্ণকির্তন বলে ভ্রমর এবং গাড়িতে মাথানত করে অজানা হয়ে যায় বেনারসি সাজ, প্রতিটি সঙ্গ গোত্র বদলায়, 

প্রতিটি হাসি মেঘের দিকে তাকিয়ে জ্বর সময় পার করে, 

   

অপরিচিত রাতের সাথে মিলটন,বেটস্ এবং কোজাগরি তিল

    তাও অনর্গল কৃষ্ণচূড়া ফুল কুড়ায় গত জন্মের পাপ

 

অসাড় নশ্বরতার পাশে শুয়ে আছে রুমাল ঝেড়ে ফ্যালা পুরানো ছেলেটির গন্ধ, আর 

                      ফাঁকা-ফাঁকা বুকে দুটি বদ-অভ্যাস

 

সমস্ত অভিযোজন থেকে অভিসার নামে চিল্কার পাড়ে,পাড় ধরে ক্ষয়ে চলেছে সময়ের ব্যবধান

 

গোয়ালিনি তুমি কী জানো সাধনপুর থেকে কতবার লাল শরীর নিয়ে ফিরেছি,বালিতে শরীর ঢেকেছি

 

গোয়ালিনি তুমি কী চর্যাপদ বলতে পারো?

 

 


 

1 টি মন্তব্য:

  1. নয়াচর জেগে উঠছে অভিজিৎ এর কবিতায়।বঙ্কিমের প্রসন্ন গোয়ালিনিকে অনেক দূর ফেলে এসেছি আমরা -- এটা বোঝার।

    উত্তরমুছুন