আমিনুল ইসলাম

 


দুটি কবিতা
চন্দ্রবিন্দুর অলংকার
০২/০৬/২১

আর কেটে যাওয়ার ব্যথা অ্যানেস্থেসিয়া দিয়ে আড়াল করতে পারেনি
যে গাছটি জানালার ধারে দাঁড়িয়ে ছিল
অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ভাঙার সময় তাঁর এই অনুভূতি হয়
তারা মানুষের দুর্ভোগেও সমান অভিভূত

আহ্! বড়োই নিষ্ঠুর! কেউ কি এমন মোড় ঘুরিয়ে শরীর থেকে ভেঙে দিচ্ছিলেন ডালপালা?

তবে সেখানে আনুগত্যের কথাও ছিল এবং শোনা গেছে যে তারা সবচেয়ে আবেগপ্রবণ
এগুলো সব মোটামুটি একই রকম নয় যদিও তারা সংখ্যায় কম, তুচ্ছ হলেও তারা বেঁচে ছিল
দুঃখ;
  আহত সবাই একা

জানালাগুলি যখন একে একে নিজেদের খেয়াল বন্ধ করছিল
বাড়িগুলিও ... ডানা মেলেছিল~

 

একটি অজ্ঞাত কবিতা কিংবা খোলস
০৫/০৭/২১

 

সে যখন মিথ্যাবাদী হওয়ার ভান করে, নাটকটি শেষ হয়ে যায়
পাখি, ফুল এবং বিভিন্ন আসবাবের কাজও ছিল

বাতাস যখন প্রবাহিত হয় তখন এত বিশাল মনে হয়
চরিত্রটি তৈরি হয়েছিল এমন এক সম্ভাবনায়

কয়েকটি পাখির শিস শোনানো- দেবতাদের আশীর্বাদে পরিণত হয়েছিল
ফুলের বাগানের পশ্চিম অংশে শোক থাকলে পূর্ব অংশে কোনও সংশয় ছিল না
এই প্রতিকুল আবহাওয়াটি বিভিন্ন দেশে এবং সময়ে ছিল
এগুলি মন্থর জীবনে
  উপেক্ষিত হয়েছিল

তবে মেঘের আড়ালে সূর্য নেমে এসেছিল সুচন্দ্রিমার কোলে
মা তখন সেগুলিকে নিজের কোলে আগলে ধরেছিলেন

চাঁদে আগুন ছিল না অসীম
অতএব প্রভু! চরিত্রটি যত কাল্পনিকই হোক না কেন
পোকামাকড় জড়িত হয়েছে তার বিভায়~
 

 


কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন