দেবযানী বসু







অ-কোমলধৈবত - (দুই)



দিন গ্ৰাস করছে কাল। পাকদন্ডী কাটার পর সাপের স্বর জনগণের উঠোনে টেবিলে লেখার খাতায় উঠে এলো। হায়নার উলু পেয়ে ধানগাছ ডগডগে।
মিথুন পর্ব খোলস গিলে পেট ভরিয়েছে। হাতে হাতে বেজে ওঠা ত্রিতালের দ্রুতক্ষয়। না ফেরা পাখির বার্তায় কষ্টঝিল্লি। আকাশপিছলানো শরীরের জন্য আচমনীয় জলের জন্য চিরশ্রাবণ।
তর্কাতর্কি ভেঙে উঠে আসছে ফণার শিরোপা ফণার শিরোনাম। পার্কস্ট্রিট মাথায় ফর্কের ছায়া মেলে। জানি প্রিয় শহরের বুকে মেঘ হয়ে থমকানো স্বভাব তোমার মমিশব। তোমার পান্ডুবস্ত্র দিয়ে জড়ালে আমাকে। লিপিরা অনাথ অবৈধ।
প্রাচীন দিনের নামে লেগে থাকা গন্ধ আর চৌরেখাবতী ঢাল।
পুড়ছে
  সব ব্ল্যাকবক্স মেরুদণ্ডের। পুড়ে
পুড়ে কার্বন।
কোকোকোলা সহায়ক। তৈরি করা ছেলেমানুষি কলমগুলো বুড়ো হয়ে উঠল।
মেট্রোর স্মার্ট কার্ড গুঁড়ো গুঁড়ো করে অনুলিপিকার ব্রক্ষ্মতালুকে ছুটে বেড়ায়। শুশ্রুষা পেলে সারস আরো বন্য হতে পারত। ভবিষ্যতের কথা ভেবে হাঁড়ি কলসি আর বেলুনে ফুঁ দিয়ে যেতে হয়।
এখন মুঠিখেলানো যাদু যতটা চেপে যায় ততটুকু চোখে পড়ে। ফুঁ এর ছুঁয়ে দেওয়া স্বভাবে একটি মৃত্যু কবিতা হয়ে যাচ্ছে অথবা একটি কবিতা স্বয়ংমৃত্যু। ফুঁ পেয়ে হাড়ি কলসি বেলুন একলাইনে চলে আসছে গ্ৰহণলাগা প্রেমে।
কাঁচা ও আদুরে পরিচয় চোখেমুখে।
অভিজ্ঞতা ধার দাও ওদের। অভিজ্ঞতা কর্কট ক্রান্তির নুনজলে। টমেটোর প্যাংক্রিয়াস দাও। টমেটোর গাল টিপে ভয়ংকরটুকু বের করে নিয়েছ হে রণপাওয়ালা। স্বরবর্ণের ঘ্যামা প্রতিনিধিদের চৌকাঠে লালটুস তাঁবু । সব দোষ আমার।
ঊটসংবাদ খুলে দেখা হয় নি সময়ে। জলভরা কন্ডোম ঊটের পিঠে। সখাসংবাদ খুলে কার কতো টিআরপি বাড়ল দেখি। ততো গুণিতক হাঁস বুকে পিঠে সাঁতার দিয়ে যায়। অহংকারচন্দ্রিকায় কেউ বাজুবন্ধ খুলে গোঁসাঘরে।
অলংকারচন্দ্রিকায় এক চিলতে চোরাকুঠুরি। এর ভিডিওতে পচা ওলের কান্না। কান্নার সরগমগমক
  ভুলে ভুলে ভরা। ওলের তানকারি। চেনা তরকারি।
কব্জিঘষা বোলকারি। লৌহবৃক্ষ জানে আকাশের মজ্জা সে চেখেছে। কুকুরের জন্য খেলনা হাড় জোটেনি। বরাদ্দ কুড়ি কেজি চালের হেঁশেল। মাসমাইনের পাহাড় নদী ফুলবাগান সিঁড়িতে থোকা থোকা স্তনকুসুমের জবা ফোঁপাচ্ছে ফোটাচ্ছে দেদার।
ফুলে উঠে ফুল ফুটেছে
  দীর্ঘ তিনমাসের অনাহার শেষে। এখন সঠিক কান্না ভেঙে বকসারির স্বর ও ভি-কোণ উত্তাল।
দৃষ্টি ভেঙে ভেঙে একবুক রাজপ্রাসাদ। হাওয়া জলের ঢেউয়ে দুলছে। সংসারের সাবেক কেক এর খুলুখুলু হাসি। প্রেম মানে পদ্মের একপাশে
  হেলে থাকা বুঝিয়ে ল্যাম্বরগিনির আকাশে ফস্ করে উড়ে যাওয়া।
দুরন্ত শুভেচ্ছা কার্ড তাঁবুকবিতা সমুদ্রের গভীরতা পান করে নিল। মেয়েঘোড়া ডাকার উৎসবে ল্যাংড়া আমি পৌঁছাতে পারি না পান্থপাদপ এড়িয়ে গেল ব'লে।
উড়োজাহাজের
  ঘনিষ্ঠ মেঘে আমার দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেলি কেলাসিত হয়ে যায়। তাহলে সদ্যবয়স ঝুড়ি ও কলম সিগনেট পাখির সিগনেচারটুকু ধরে রাখছে। আর প্রেমের কবিতা দেবরাক্ষসী ভাষায় লিখে ফেলছি। বন্ধুরা দিচ্ছে নোঙরছাপ। মিসেস কবিতাঘুঘুর ডানায় পাতি বাঙালি ছাপ। কাপড়জামা নিঙড়োলে পর্যন্ত বেরোচ্ছে  আদিরস।