সাম্প্রতিক

6/recent/ticker-posts

তন্ময় ধর



কুমায়ুনের বাঘ, হুমায়ুনের কে?


                
সে বাঘের দেখা মিলেছে দরিদ্র চিড়িয়াখানার অন্ধকার ধুলোমাখা বন্দীজীবনে। চির-চিনার গাছের পবিত্র ছায়া মাখা অরণ্যে তার পায়ের ছাপ ধরা পড়ে নি। মানুষের সভ্যতার লালসায় সে প্রায় ছবি হয়ে হারিয়ে গিয়েছে ট্যুরিজমের বিজ্ঞাপনে আর রামনগরের জিম করবেট মিউজিয়ামে। অথচ সৌন্দর্য্য আর শৌর্য্যের এক অপার্থিব মিশেল ছিল এই কুমায়ুন। প্রাচীন নাম কূর্মাঞ্চল। দেবরাজ ইন্দ্র নাকি এর দক্ষিণ প্রান্তে এসে থমকে দাঁড়িয়ে পড়েছিলেন। তাঁর সুখের স্বর্গেও নাকি এই নয়নসৌভাগ্য নেই। স্বর্গ এবং মর্ত্যের এই সন্ধিস্থলে সৃষ্টির এই পরমাশ্চর্য প্রকাশের মধ্যে ইন্দ্র স্থাপন করতে চাইলেন তাঁর রাজধানী। স্বর্গের নিত্য জ্যোতির্ময়তার ক্লান্তি এখানে নেই, চির-চিনার-মন্দার বৃক্ষের ছায়ামাখা অন্ধকারের সঙ্গে মায়ালোকের অপরূপ জ্যোৎস্নার লুকোচরি, খরস্রোতা নদীর তীব্র অভিস্নান, বিচিত্র পাখি কূজন ও আরণ্যক পুষ্পের নয়নসুখ এবং দৃশ্যসুখ পেরিয়ে ইন্দ্র এসে দাঁড়ালেন নীলনয়না এক সরোবরের সামনে।
ব্রহ্মলোকের সরোবরকেও প্রায় ম্লান করে দেয় তার দিব্যশোভা। সরোবরের অতল জল থেকে উঠে এসে পরমা রূপবতী নয়না দেবী স্বাগত জানালেন ইন্দ্রকে। নয়নাদেবীর নামে সরোবরের নাম ছিল ‘নৈনীতাল’, ইন্দ্রের রাজধানী হওয়ায় নাম হল ‘ইন্দ্রপ্রস্থ’। পরে কালের প্রভাবে ইন্দ্রপ্রস্থ বিলুপ্ত হলে দেবী নয়না পাষাণ হয়ে গেলেন। হ্রদের পশ্চিমপ্রান্তের দেওয়ালে সিন্দূরচর্চিত পাষাণমূর্তির মধ্যে বন্দী হয়ে গেলেন তিনি। কালের প্রভাবে বিশীর্ণা হতে থাকল নয়না সরোবর এবং তার সঙ্গীসাথীরা।
নৈনীতাল ছাড়া দক্ষিণ হিমালয়ের উপগিরি অঞ্চলে এত সরোবর কোথাও একসাথে নেই। ভীমতাল, খুরপাতাল, গরুড়তাল, রামতাল, লক্ষ্মণতাল, নল-দময়ন্তীতাল, নওকুচিয়াতাল আর পাহাড়ী বৃক্ষলতা-মেঘকুয়াশার সৌন্দর্য্য- সব মিলে এক অপরূপ মায়াময় পরিবেশ তৈরি করেছে এখানে। মহাহিমবন্তের শীত-বসন্ত-বর্ষার প্রভাব এখানে শুধু। গ্রীষ্মের উত্তাপ নেই। মরলোকের মানুষের সংসারের উত্তাপ আর কোলাহলও এককালে ছিল না এখানে। কিন্তু এখন এখানে পর্যটকের অন্ত নেই। হোটেল-রেস্তোরাঁ আর অসংখ্য মনোরঞ্জনের উপাদানের ধাক্কায় নৈনীতালের সেই দিব্যরূপ আজ বিপর্যস্ত। তবু জ্যোৎস্নামাখা বর্ষারাত্রির নির্জনতায় বা তুষারপাতের ম্লান কাকজ্যোৎস্নায় কখনো ফুটে ওঠে সেই অপরূপ রূপ যা স্বর্গের দর্প ম্লান করে দেয়।
কাশ্মীর থেকে আসাম পর্যন্ত সুবিস্তৃত হিমালয়ের কোন অংশে এত ক্ষুদ্র পরিসীমার মধ্যে একসঙ্গে এত তুষারধবল গিরিশৃঙ্গ একসাথে দেখা যায় না। পশ্চিমের যমুনা পর্বত বা বন্দরপুঞ্চ থেকে তুষারধবল এই পর্বতশৃঙ্গগুলিকে দেখে এক জার্মান অভিযাত্রী নাম রেখেছিলেন ‘দেবতাদের সিংহাসন’। শ্রীকান্ত, গঙ্গোত্রী, কেদারনাথ, বদ্রীনাথ, শতোপন্থ, কামেথ, দ্রোণগিরি, নন্দাদেবী, ত্রিশূল, নন্দকোট, পঞ্চশূল- পৃথিবীতে দাঁড়িয়ে একই ফ্রেমের মধ্যে এতগুলি পর্বতশৃঙ্গ দেখলে চাইলে কুমায়ুনই একমাত্র ভরসা। কিন্তু দূষণ, হোটেল আর পর্যটকের ভীড়ে তুষারধবল ওই দেবতাদের সিংহাসনগুলি নৈনীতালে দেখতে গেলে প্যারাগ্লাইডিং বা হেলিকপ্টারের সাহায্য নিতে হবে।
সে ঝক্কি নেওয়া হয়তো আপনার পক্ষে সম্ভব নয়। সুতরাং আপনাকে এগিয়ে চলতে হবে আলমোড়ার পথে। নৈনীতাল থেকে সড়কপথে প্রায় দু’ঘন্টার পথ আলমোড়া। হ্যাঁ, পর্যটন শিল্পের চাপে এখানেও হোটেল বা বহুতল বাসগৃহের ভীড়। কিন্তু এই পার্বত্য শহরের মধ্যেই দাঁড়িয়েই বা আশেপাশের কোন গ্রামে গেলে নয়নাভিরাম পর্বতশৃঙ্গের সারি ভেসে ওঠে চোখের সামনে। বিনসরের পথে জঙ্গলে হয়তো পেয়েই গেলেন সেই পায়ের ছাপ। মাটি-পাথর-ঝরাপাতার লুকোচুরি খেলায় সে পায়ের ছাপ অনুসরণ করতে গিয়ে আপনি দিকভ্রষ্ট হয়ে চলে গেলেন এক অচেনা পথে। যাগেশ্বরের পথে চির-গাছের অরণ্য ঘেরা মায়াময় এক পথের ধারে আপনার চোখে পড়ল প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের একটি ফলক। লাখুডিয়ার গুহা।
 হিমালয়ের বিশাল শরীরে প্রত্নপ্রস্তরযুগীয় গুহাচিত্রের একমাত্র নিদর্শন এই লাখুডিয়ার। ক্ষীণ কয়েকটি জলধারার পাশে বিশাল এক প্রস্তর খন্ড পাহাড়ের গায়ে ঝুলে পড়ে প্রাগৈতিহাসিক মানুষের জন্য আশ্রয় তৈরি করে দিয়েছে। আদিম সেই শিল্পীরা অত্যন্ত উজ্জ্বল রঙে এঁকে রেখেছে তাদের প্রাণের কথা। মৃগয়াকাহিনি থেকে জ্যামিতিক বিন্যাসে কোন এক শিল্পরহস্য বা জীবনজিজ্ঞাসা এঁকেছে তারা অনন্ত আগামীকালের জন্য। যুগযুগান্ত ধরে অপরিসীম উজ্জ্বলতায় অম্লান হয়ে রয়েছে সেই প্রাণের বার্তা। গুহাচিত্রের বয়স প্রায় দশ হাজার বছর। শেষ হিমযুগের অবসানে পৃথিবীর হাওয়া কবোষ্ণ হয়ে উঠতেই আদিম শিল্পীর দল এঁকে ফেলেছিল প্রাচীন এই গুহাচিত্র। বিমূর্ত সেসব ছবির রহস্য উদ্ধার করতে কালঘাম ছুটেছে প্রত্নবিদদের।
সে ছবির আবেশ চোখে নিয়ে চির-অরণ্যের ভিতর দিয়ে আপনি এগিয়ে চললেন আপনি। এত যে রূপময় হিমালয়, তার ভেতরেও এমন ছায়াচ্ছন্ন স্নিগ্ধ মায়ামাখা পথ আর দ্বিতীয়টি আছে কিনা সন্দেহ। দন্ডেশ্বর মন্দির। ভূমন্ডলের সবচেয়ে স্নিগ্ধ শিবমন্দির। যত আদিম মহাদ্রুমের শরীর ছোঁয়া আলো-অন্ধকারের স্বর্গীয় মায়াতরঙ্গ ক্ষণে ক্ষণে ছুঁয়ে চলেছে প্রাচীন পাথরের স্থাপত্যগুলিকে। স্নিগ্ধতম এক স্বচ্ছতোয়া বয়ে চলেছে। শান্ত মহাকাল যেন আপনাকে নিয়ে যাচ্ছেন সময়ের বিপরীতে ফুটে ওঠা অন্য এক পাহাড়ী ফুলে ভরা পথে। সামান্য এগোলেই যাগেশ্বর জ্যোতির্লিঙ্গ। পার্বত্য নির্ঝরিণীর পাশে অজস্র স্থাপত্যে ভরা ছোট-বড় অনেক শিবমন্দির। এখানে তীর্থযাত্রীর ভিড় একটু বেশী। পুজো এবং আনুষঙ্গিক পূজাসামগ্রীর কেনাকাটা আর পর্যটকের কোলাহল পেরিয়ে আপনাকে এগিয়ে যেতে হবে পাহাড়ী চড়াই পথে। একই রকম নাগর স্থাপত্যের আরো প্রাচীন এক মন্দির, এর নাম বৃদ্ধ যাগেশ্বর। অতীতে নাকি যাগেশ্বর এখানেই বাস করতেন। পরে কালের প্রভাবে নীচে যাগেশ্বরের মন্দিরে নেমে আসেন।
এবার যাগেশ্বরের যাত্রাপথ ছেড়ে আলমোড়া পার হয়ে চলুন বিনসরের অরণ্যে। আলমোড়া থেকেই দৃশ্যমান পঞ্চশূল এপথে আরো নয়নাভিরাম। পাহাড়ী ফুল আর পাখির বৈচিত্রে এপথ মনোরম। রাস্তায় কাসারদেবী মন্দিরে নেমে বিবেকানন্দের তপোস্থলের নির্জনতায় বসে থাকতে পারেন কিছুক্ষণ। এখান থেকে সূর্যাস্তদৃশ্য খুব সুন্দর। অদৃশ্য এক প্রপাতের শব্দ আর পাইন বনের পাহাড়ী শীতল বাতাস তার সঙ্গে থাকবে।


বিনসরের জঙ্গলে জৈববৈচিত্র আপনাকে মুগ্ধ করবেই। চিতাবাঘ, ঘাইমৃগী, চিতল হরিণ, কস্তুরী মৃগ, হিমালয়ান গোরাল, সুমাত্রান সেরাউ, উড়ুক্কু কাঠবিড়ালী, লাল শিয়াল, হিমালয়ের কালো ভল্লুক এবং আরো বহু বিচিত্র পশুর বাস এই জঙ্গলে। তাদের অনেককে দেখা তো দূর অস্ত, নামই হয়তো আপনি কখনো শোনেন নি। সন্ধে নামার ঠিক আগে ভাগ্য ভাল থাকলে অনেকেরই দেখা পেতে পারেন, ডাক শুনতে পারেন। আর পাখির ডাক তো শুনতে পাবেন সারাদিনই। সকাল-সন্ধেয় একটু বেশী। টুনটুনি, দোয়েল, বসন্তবৌরি, কাঠঠোকরা, নাটহ্যাচ, টিয়া, ম্যাগপাই, মোনাল, ময়ূর, লাফিং থ্রাশ- এ অরণ্য পাখিদের স্বর্গরাজ্য। একটা ভাল বাইনোকুলার আর লম্বা লেন্সের ক্যামেরা থাকলে আপনি রাজা। গাছের ফাঁকে, মেঘের ফাঁকে মাঝে মাঝেই উঁকি দেবে আপনার হিমালয়ের রাজমুকুট।

বাঘের দেখা পেয়েছেন বা পান নি, এবার তাহলে চলুন সাপের লেখার কাছে। চলুন বেরিনাগ-গাঙ্গোলিহাটের পথে। শীতের হাওয়া-মাখা পাহাড়ের ছোট ছোট গ্রামে সন্ধ্যাপ্রদীপ জ্বলে উঠছে। বড় শান্ত শহর এই গাঙ্গোলিহাট।
সে কোন এক অতীতে আমাদের বঙ্গভূমির জনৈক গাঙ্গুলিমশায় কোন এক হাটের কালীমাতাকে তুলে এনে এখানে প্রতিষ্ঠা করেছিলেনসেই থেকে শহরের নাম গাঙ্গোলিহাট। শহরের কেন্দ্রেই সেই ‘হাটকালি’মাতার মন্দির। আবার কেউ বলেন, সরযূ ও রামগঙ্গা এই দুই গঙ্গা হিমালয়ের গলায় এখানে মালার (স্থানীয় ভাষায় ‘আওয়ালি’) মতো শোভা পাচ্ছে বলে, এ স্থানের নাম ‘গাঙ্গোলি’( গাঙ্গ+ আওয়ালি)। সে নাম যেভাবেই আসুক, এই শহরের আশেপাশে অতুলনীয় কয়েকটি গুহামন্দির রয়েছে- শৈলেশ্বর, মুক্তেশ্বর, ভোলেশ্বর এবং পাতালভুবনেশ্বর। সর্বশেষ মন্দিরটি অবশ্য দর্শনীয়। হিমালয়ে এত ঐশ্বর্য্যময় গুহা আর দু’টি নেই। প্রকৃতির ভূ-রাসায়নিক ক্রিয়ার এক চূড়ান্ত আর্ট গ্যালারি এই গুহা। অষ্টম শতাব্দীতে শ্রীমৎ শঙ্করাচার্য্য এই গুহা পুনরাবিষ্কার করেন। পৌরাণিক কাহিনি অনুযায়ী শেষনাগের পেটই হল এই পাতাল ভুবনেশ্বর গুহা। সেই দুর্বিষহ অবস্থার মধ্যে প্রায় চল্লিশ ধাপ সিঁড়ি (নামেই সিঁড়ি, আসলে ভয়ংকর এবড়োখেবড়ো পাথরখন্ড) নেমে খানিকটা খোলামেলা জায়গা। খোলামেলা মানে সোজা হয়ে দাঁড়ানো যায়। ভূমিতল থেকে প্রায় ৩০ মিটার নীচে। শিকল ধরে ধরে অত্যন্ত সাবধানে নামতে হয়। চারপাশে আলো-অন্ধকারে নানা রহস্যময় হাতছানি। যুগ-যুগান্ত ধরে চুনাপাথরের গুহায় জল চুঁইয়ে চুঁইয়ে বালি, খনিজ পদার্থ ইত্যাদি দিয়ে তৈরি হওয়া এক অপার ঐশ্বর্য্যের ভেতর দিয়ে আপনি চলতে লাগলেনজল চুঁইয়ে চুঁইয়ে পড়ছে আজো। খানিকক্ষণ হাত পেতে থাকলে হাতেও খনিজ স্তর জমে যাবে। জীবন থেকে জীবনে, প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে, জন্ম থেকে পুনর্জন্মে জল চুঁইয়ে পড়ছে। ভূতাত্ত্বিক সময়সারণীতে প্রিক্যাম্ব্রিয়ান-ক্যাম্ব্রিয়ান যুগের সন্ধিক্ষণে, অর্থাৎ আজ থেকে প্রায় ৫৪ কোটি বছর আগে গঙ্গোলিহাটের এই পার্বত্যশিরার জন্ম। জলে পা ভিজিয়ে, ঠান্ডা পাথর ছুঁয়ে ছুঁয়ে, সেই শেকল ধরে আবার সেই জন্মযন্ত্রণা নিয়ে গুহা থেকে বাইরে বেরিয়ে আসতে হবে আপনাকে।
কিভাবে যাবেন কূর্মাঞ্চলেঃ-
দেশের বিভিন্ন শহর থেকে মোট দশটি ট্রেন কাঠগোদাম যাচ্ছে-
১৩০১৯- বাঘ এক্সপ্রেস- হাওড়া থেকে রাত ৯-৪৫এ ছাড়ে, কাঠগোদাম পৌঁছতে সময় নেয় ৩৮ ঘন্টা ৪৫ মিনিট
১৪১২০- দেরাদুন-কাঠগোদাম এক্সপ্রেস- রাত ১১টায় ছাড়ে, কাঠগোদাম পৌঁছায় সকাল ৭-১০এ
১২০৪০- নিউদিল্লী-কাঠগোদাম শতাব্দী- সকাল ৬টায় ছেড়ে ১১-৪০এ কাঠগোদাম
১৫০৩৫- দিল্লী-কাঠগোদাম সম্পর্কক্রান্তি- বিকেল ৪টেয় ছেড়ে রাত ১০-৪০এ কাঠগোদাম
এছাড়া কানপুর এবং জম্মু-তাওয়াই রয়েছে গরীব রথ ট্রেন। লক্ষ্ণৌ, জয়সলমীর এবং মোরাদাবাদ থেকেও ট্রেন রয়েছে। যে ট্রেনেই যাওয়া হোক, কাঠগোদামের ১০ কিলোমিটার আগে হলদোয়ানি স্টেশনে নেমে পড়তে হবে। এখান থেকে বাস পাওয়া যাবে আলমোড়, নৈনিতাল, বিনসর বা গাঙ্গোলিহাটের। ছোট গাড়িও ভাড়া পাওয়া যাবে। শেয়ার ট্যাক্সিতে যেতে চাইলে আলমোড়া হয়ে ব্রেক-জার্নি করতে হবে। দেরাদুন, হরিদ্বার, হৃষীকেশ, দিল্লী, লক্ষ্ণৌ, চন্ডীগড় ইত্যাদি বড় শহর থেকে নিয়মিত বাস যাচ্ছে হলদোয়ানি বা আলমোড়া বা পিথোরাগড়। আলমোড়া বা পিথোরাগড় থেকে বাস বা ছোট গাড়ি নিতে হবে।
বিমানপথে যেতে চাইলে দিল্লী থেকে বিমানে পন্থনগর কিম্বা পিথোরাগড়। সেখান থেকে বাস বা ছোট গাড়িতে আলমোড়া বা বিনসর বা গঙ্গোলিহাট।
কোথায় থাকবেনঃ-
আলমোড়ায় থাকার জন্য বিভিন্ন খরচের প্রচুর হোটেল রয়েছে। কাসারদেবী বা বিনসরের পথে রয়েছে গঙ্গা গেস্ট হাউস( ফোন-৯৬২৭৯৫১৩১২), আয়ুষ গেস্ট হাউস (ফোন- ৯৭১৯৩৭৬৪৯০), খিম গেস্ট হাউস (ফোন- ৯৪১২০৪৪৮৬৫)। কুমায়ুন মন্ডল বিকাশ নিগমের অতিথিশালা রয়েছে বিনসরে।
গঙ্গোলিহাটে থাকার ব্যবস্থা রয়েছে কুমায়ুন মন্ডল বিকাশ নিগমের অতিথিশালায়(ফোন-৫৯৪২-২৩১৪৩৬) এছাড়া বিভিন্ন মানের হোটেলও রয়েছে বেশ কিছু। মিস্টি মাউন্টেন রিট্রিট (ফোন- ৯৯২৭০৩৯১২৩), গিরিজা হোটেল (ফোন- ৫৯৬৪২৪২৪১৮), শাহ হোটেল (ফোন-৫৯৬৪২৪২৪৪৬০)। কাছাকাছির মধ্যে কিছু বিলাসবহুল রেসর্টও রয়েছে (শৈলজা রেসর্ট-৯৪১২৯২৫১৩২, শিবমহিমা রেসর্ট- ৯৪১২১০৫১৫১)



 তন্ময় ধর