পাপড়ি দাস সরকার

 



গুচ্ছ কবিতা

কোন একদিন


 

এইসব দিন আমি সূর্য দেখিনি

শুধু কুড়িয়েছি আমাদের সম্পর্কিত যাবতীয়।

 আলো চিনিনা

 আলো বুঝিনা 

হাতের সীমান্ত খেলিয়ে রাখছি অন্ধত্ত্ব,

বুকের পাশে অভাবী খুশি

যাদের চিরকূটে জল মাথা ডুবিয়ে ধরে,

শ্বাস প্রশ্বাস কমলা রং হিম হয়ে এলে

পাশ ফিরিয়ে রাখি চোখের উত্তাপ,

 

  দ্যাখো............

তোমার, আমার দৃষ্টির মাঝে-

অবুঝ অন্ধকার খেলা করে অনাবৃত রোমন্থনে।






রমন

 

আমার গর্ভে এসোছো তাই,

তাই আমি প্রতিপালন করেছি।

তা যে ঠিক নয়...আমার দুহাতে এখনো ফুলের রস।

 আমার নাভিতে আতরের গন্ধ।

 মহাভারতের যুগ থেকে আমার দায়িত্ব,

আমি পঞ্চমুন্ডির আসনে বসে ভিক্ষা চাইছি।

 বিস্ময় একটাই!!

প্রানের স্পন্দন থামছে না কেন? 

 

 

মিথ

 

মানুষ কখন ও কখন ও চাপা পড়া জন্তুর মতো কেঁপে ওঠে

 আর ওঠে বলেই 

 আড়ালে একটা নতুন কোষ জন্মায়

 বিঞ্জানীরা মানবেন না,

 কিন্তু আমি জানি

 সেই কোষের দুটো চোখ থাকে

  চিনে নেওয়ার জন্য

 এরপর কোষ ক্রমাগত বড়ো হয় মানুষ এক হয়ে যায়

 মধ্যিখানে সরু পয়ঃপ্রনালী

 সুতো কেটে ঘুড়ি উড়তে থাকে

        পড়তে থাকে

        নেমে আসে 

 

প্রকৃতির খাতায় আরেকটা নতুন জন্তু নাম লেখায়

 যারা দেখতে মানুষের মতো

 

আদতে মিথ! 

 


ধাবমান


 

ক্রমশ হেঁটে চলে যায় রাত

যেভাবে আমি ও এসেছি বহুদূর।

আকাশে আদরের চাঁদ

জলে ভেসে গেছে তার ছায়া

দেখি শুয়ে আছে দিক চরাচর

 

অন্তঃসারহীন

 ঘর বাড়ি সংসার।


 চোখের পাতায় অপরুপ ঘুম।

 থমকে দাঁড়াই আমি চৌরাস্তার মোড়ে-

 আত্মহত্যার আগে আরো একবার

 ফিরতে ইচ্ছে হয় 

 

শেষ চুম্বনের জন্য।। 




ভ্রষ্টাচার


 আমার চোখের সামনে বৃথা এসে দাঁড়ালো,

 প্রেম ক্লীব পৃথিবীর পর হয়ে আছে,

 রক্ত নেই-

 আরো কত গ্যালন চাই বলতে পারো?

 অচ্ছুত হাত,

 নেগেটিভদের এভাবেই গ্লোরিফাই করবে,

 অবিবেচকের স্মাইলিও তাই

 যা উত্তেজক আরক,

 তোমায় চাগিয়ে রাখে দেশ ও দলের স্বৈরাচারে

 এও একরকম নেশা, ভাণ

 সঙ সাজা। 

--------------------------------------

ছবি ঋণ: গুগল


 



কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন