ভজন দত্ত

 


কবিতা


কাঁচানংকা ও পাতিনেবু

পায়ে কুয়াশা চেপে চেপে এই যে চলাচল,
হলাহল,যে হল্লাগাড়ি উৎখাত করে,
তার সাথে গলাগলি ভাব না থাকলে,
কী করে বলবেন,'সোনা ও সোনা!'

প্লিজ, একবারটি ভাবুন।
রোজ সকালে উঠে আবার রেডিও
 টিপুন।
সীমানা ছাড়ায়ে ছড়ায়ে ক্রমাগত আপনআপন
গোপন-স্রোতের সাথে সময় নিয়ে কথা বলুন।

অকপট স্বীকারোক্তি অনুযায়ী,
একদিন একজন এসে দাঁড়িয়েছিলো।
ওদের একটা কথাও হয়ে গেছে।
'কী কথা কী কথা ' তাই নিয়েই তাতাথৈথৈ
উৎপটাং, আংবাং নামের কুতর্ক থাকলেও,
সত্যি জানবেন,
বৌঠান চা নিয়ে আসেননি,
আর, নির্জন দুপুরে একা পেয়েও তিনি
'ও ঠাকুরপো' বলে ডাকেন নি !

ভাবা যায়!সামনেই ফাঁকা গোলপোস্ট!
ডিফেন্ডারদের ডজ করে কাটিয়ে
ঠাকুরপো রোলান্দো,
গোলের সুযোগ পেয়েও বল ঠেলে দিয়েছেন বিপক্ষের লিওনেল মেসি দাদাকে!

গোলের জন্য জায়গা একটুখানি ছাড়লেও , হাড়েমজ্জায় আটকে যাওয়া মাস নিয়েই
মাসকাবাব বানাতেই পারতেন!

তাঁর স্মৃতি পড়ে আছে বলে,
সেখানে ঝুলন্ত লাল টমেটো
  আছে বলে,
সে পথ মাড়ানো হয় নি কোনোদিন!
মনে করুন না, নিজনিজ ভালোবাসায় কতদিন
পাতিনেবু ও কাঁচানংকায় সুতো পরানো হয়নি...

----------