গৌতম কুমার গুপ্ত



গুচ্ছ কবিতা


অতিক্রম

 

এক একটি অতিক্রমের সামনে দাঁড়িয়ে

আগুন ও জল

 

যুবনাশ্ব ঘোটক রণতরী নৌবহর নদনদী 

নোনা জলধি মসৃণ মরুর বালিয়াড়ি 

হোঁচটের খানাখন্দ কত কি

 

শেষতক পেরোতে হবে একটা আস্ত রমণী

পেলবে আলিঙ্গনে আশ্রয়স্থল

ভালবাসা নামে অনতিক্রম্য এক বেধ পর্যন্ত

 

পায়ে পায়ে নেইটুকুই থাকে সেখানে

কম্পাসে যার মেরু নির্দেশ করে না


 

বন্দী

 

তু তু স্বরে পোষ্য পাখিটিকে বলেছি

পড়ে আছে ব্যথার দ্রাক্ষাফল

চঞ্চু নিয়োগ করো এক্ষুনিই

পিঞ্জর খুলে চলে যাও প্রদেশে

ফেলে দিয়ে এসো গৃহনির্মিত অশ্রু

 

শুনিয়ো না পিউ কাঁহা

বাচাল বিহঙ্গের বাক মুলতুবি থাক

থাবার নখরে গেঁথে নাও অভিমান

ফেলে দিয়ে এসো নষ্ট ভালবাসা

তোমাকে পোষ্য করেছে পরাধীন

 

মানুষেরা এখন খামার বাসিন্দা

ভালবাসা আদর কোনোটাই প্রতিশ্রুত নয়

 

অনুবৃত্তি

 

মৃত্যু হবো না, জন্ম হবো

ডাক দিচ্ছে পলাতক

ফিরিয়ে দিচ্ছি রূঢ় চোখে তৎক্ষণাৎ

তার বড়ো আপন করার দায়

 

সে কি ফিরে যাবে আমাকে ছেড়ে?

দুয়ারে তার অনুবৃত্তি, পৌণঃপুনিক

পাঠিয়েছে অগ্রগামী অভিজ্ঞ কাপালিক

চিনি তার ক্রুদ্ধ রেষ, দমনের সশস্ত্র

 

ঠেকিয়ে রাখি স্বেচ্ছাচার,স্ব পরাক্রমী

আসে তবু ছলাৎছলাৎ

কৌপিণে বেঁধে রাখে খুঁদকুড়ো

উপবাসে পরবাসে পড়ে থাকে অভ্যাসের দায়