অভিজিৎ দাসকর্মকার



তিনটি কবিতা






1)এপিটাফ



শব্দরা হাঁটতে হাঁটতে ধানক্ষেতে এসে দাঁড়ালো। ওরা হুবহু আমার কবিতার ভাষায় কথা বলাবালি করছে____

 আমি তো এপিটাফ বসিয়ে রাখিনা। খুব রাগ হচ্ছিল। মনে হচ্ছিল শব্দের ভিতর ঢুকে তার ভাবের সাথে ছেলেখ্যালা করি।

না-হলে অন্তত সাইকেলে চেপে বিষণ্নতার মধ্যবর্তী নীল-কোণে উদাসীন নদীর পাশ দিয়ে দুপুর দুপুর স্বতন্ত্র হয়ে আসি_____


2)নেগেটিভ দাম্পত্য 



কবিতায় বা তার কোনো অংশের, মার্কসের, এক কোনায় মঁসিঁয়ে মার্ক্স দেখি কার্ল-ড্ বসে আছে। থাকতেই পারে___

বৃত্তের জ্যা বরাবর ইয়ার্কি করা যতসব বৃত্তান্ত, তার নামে এবং 
ব্যক্তিগত ব্যবহারের নাম-সংকীর্তন ধরে খুব ধীরে ডিসেম্বরের শীতল আর জুলাইয়ের শীতলপাটি মা-গো বলে তাকায়...
পশ্চিম কোণে তখন দুর্ঘটনা জমাট বেঁধেছে__

ব্লটিং কাগজের চরিত্রহীনতা চুসে নিয়েছে শ্রাবণের পার্সোনাল বিকিরণ —
সমন্দর-পাড় ধরে নেগেটিভ দাম্পত্য ছলাত ছলাত ফিরছে___


3) পর্ণমোচী আক্ষেপ 


সেই ছেলেকাল থেকে শিরায় শিরায় পালকের বদলে একবগ্গা হাওয়া গন্তব্যহীনভাবে উত্তুরে আলপথ, ছায়াপথ এবং নাভিতটে কিছুক্ষণ জ্যোৎস্না রাত হয়ে ভিজে ভিজে দাঁড়িয়ে। 

ইতিহাসের প্রাচীন গ্যারান্টিগুলো ইমিটেশন পদ্য হয়ে বিছানায় শুয়ে রয়েছে___

১ পিস পর্ণমোচী আক্ষেপ পোস্ট করে আপনাকে  ট্যাগ করে দিচ্ছি
    সমস্ত জনবসতি হয়ে যখন আপনার তলপেট হয়ে মার্চ পাস্ট করবে, তখন কানের সন্তর্পণে বালার্কের তরুণ গানও দুর্বোধ্য কবিতার লাইনে লাইনে এগিয়ে চলবে___