গুচ্ছ কবিতা
হালুম
আমরা যে পথ
দিয়ে হেঁটে যাই
তার পাশে
পাশেই কোথা থেকে
পরিয়ায়ী
পাখির মতো চলে আসে
কত কত
বল্গাহরিণ।
তাদেরও গূঢ়
বেদনা আছে
নিজস্ব
বিনোদন-ছায়া-মায়ার জগত।
মনে হয় আড়ালে
বসে
কেউ লিখে
নেবে এক
মনকেমনের
পাণ্ডুলিপি।
অথচ হিসাব
মেলেনা তেমন
স্বপ্নের
ভিতরেও জিঘাংসা নেমে আসে কার?
আমি ভয়ে
কেঁপে উঠি
যেন বাঘের
মুখোশ পরে
কেউ ডেকে ওঠে
হালুম!
ঘা
যত সহজে
সবকিছু বলে ফেলবে ভাবছ
কোনকিছুই অত
সহজ নয়।
কার পিছনে যে
কী লুকিয়ে থাকে
প্রায়শই তা
বুঝতে পার না তুমি!
মনে মনে অনেক
ঘোরাঘুরির শেষে
যে দুটি
পংক্তি উঠে এলো
তা আসলে ক্ষত,একটি পুরানো ঘা।
চিত্রনাট্য
একেবারে
নিখুঁত চিত্রনাট্যের পরিকল্পনা
করি
ভাবি চূড়ান্ত
ব্যর্থতার গল্পকেও
নিয়ে যাব
সফলতার চূড়ায়!
এসব নতুন নয়
মোটেই
স্বপ্নে
মফস্বলের মানুষেরা সব
শহরের ফাঁকে
ফাঁকে গুঁজে দেয়
দেশলাই-বিড়ির
গল্প
ঘটিগরমের
হলকা-লজেঞ্চুস
কিছু
আবোলতাবোল কথা-হারানো নদী
বুড়োবুড়িদের
আমোদপ্রিয় সব গান।
ভুল
যেখানে যা
ভুল ছিল
করা হয়ে
ওঠেনি
সেসব নিয়েই
সবাই বেশি ভাবে
আহ!যদি আবার
সুযোগ পেয়ে
ঠিক করা যেত!
আমার স্বপ্নে
এক মজার মানুষ আসেন
পীর-ফকির
হবেন বোধহয়
কিভাবে যে
ভুলের পাহাড়কে
সুগন্ধি
সাবান করে শরীরে মেখে নেন
আর সারা
গ্রামের সব মজে যাওয়া কুয়োতেও
কিভাবে কলকল
করে নেমে আসে জল।



0 মন্তব্যসমূহ