সুশান্ত কুমার রায়

 




শচীমোহন বর্মন ও মুক্তচিন্তাকেন্দ্র

 

শিল্পী শচীমোহন বর্মন। ওপার বাংলার, উত্তর বঙ্গের (কোচবিহার জেলা) কবি, গীতিকার, সুরকার, নাট্যকার, অভিনেতা, লোকসংগীত শিল্পী ও গবেষক শচীমোহন বর্মন। লোকশিল্পী থেকে লোকসংস্কৃতি গবেষক। আমরা জানি একজন গবেষকের ক্ষেত্রে দুটো বিষয়ে সস্পৃক্ত থেকে গবেষণার কাজ সুসম্পন্ন করতে হয়। একটি বিষয় তাত্ত্বিক এবং অন্যটি ব্যবহারিক। তাত্ত্বিক দিক যেমন গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করতে হয় একজন গবেষককে তেমনিভাবে ব্যবহারিক অর্থাৎ হাতে-কলমে শিক্ষার বিষয়টিও প্রাধ্যান্য দিতে হয় সমানভাবে। আমরা সংগীতের ক্ষেত্রে একটি কথা প্রায় বলে থাকি-গানের কথা প্রধান, না সুর প্রধান। কথা ও সুর এক্ষেত্রে দুটোই সমানভাবে বিবেচ্য। গবেষণার ক্ষেত্রে একজন গবেষকের তীক্ষ্ণ দৃষ্টি সব সময় তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক বিষয়ের উপর রাখতে হয়। এতে করে তাঁর গবেষণার কাজ সুসংহতভাবে সম্পন্ন হয়। লোকসংগীত শিল্পী ও লোকসংস্কৃতি গবেষক শচীনমোহন দুটি বিষয়কেই সমানভাবে আমলে নিয়ে রিনরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন দিনের পর দিন। আমাদের উত্তরাঞ্চলের তথা দেশ বরেণ্য ও খ্যাতিমান কবি, দেশ-দশ, মা-মাটি ও মানুষের কবি, পরম শ্রদ্ধেয়, অত্যন্ত প্রিয় এবং কাছের মানুষ সরোজদা (সরোজ দেব) আমাকে শচীমোহন বর্মন সম্পর্কে লিখতে উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা যোগান।| উত্তরবঙ্গের সংস্কৃতি জগতে শচীমোহন বর্মন একটি অতি পরিচিত মুখ। শচীমোহন বর্মন ও মুক্তচিন্তা যেমন একই সূত্রে গাথাঁ। শচীমোহন বর্মন একজন গবেষক এবং মুক্তচিন্তা তাঁর গবেষণাকেন্দ্র। মুক্তচিন্তাকেন্দ্রে সাহিত্য, সংস্কৃতি, সমাজকল্যাণ ও শিক্ষা বিষয়ে গবেষণা হয়। মুক্তচিন্তা ভাবনা ও তার বাস্তব প্রয়োগ শুরু হয় ১৯৯৯ সালে মেখলীগঞ্জ ব্লকে। ভোটবাড়ীতে নিজ অর্থ ব্যয়ে জমি কিনে সাহিত্যের স্কুলের জন্য শ্রেণিকক্ষ, পত্রিকাগার, পাঠাগার, নাচ-গান ও অভিনয়ের অনুশীলন কক্ষ, শিশু বিদ্যা নিকেতন ও গবেষণা কাজের জন্য গবেষণাগার গড়ে তোলেন। সমাজ কল্যাণ কাজের জন্য গঠন করেছেন মুক্তচিন্তা ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশন। শচীমোহন বর্মন একাধারে একজন কবি, গল্পকার, গায়ক, গীতিকার, সুরকার, সাহিত্যিক ও নৃত্যশিল্পী। পিতা হরিদয়াল বর্মন এবং মাতা সরলা বর্মনের অষ্টম সন্তান শচীমোহন। ১৯৬১ সালের ১৭ জানুয়ারি দিনহাটা মহুকুমার বড় শৌলমারী জিপির খারিজা বাত্রিগাছ গ্রামে জন্ম গ্রহন করেন। প্রথমে পড়াশোনা জুনিয়র বেসিক বিদ্যালয়, তারপর জামাদার বস জুনিয়র হাইস্কুলে ষষ্ঠশ্রেণিতে এবং পরবর্তীতে দিনহাটা সোনা দেবী হাইস্কুলে । ১৯৭৯ সালে দিনহাটা কলেজে রাষ্ট্রবিজ্ঞান নিয়ে অনার্সে ভর্তি।  পরবর্তীতে বি.এড করেন। ১৯৮২ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি নন্দবালা বর্মনের সহিত বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।

 

শিল্পীকে ছোটবেলা থেকেই চরম বাস্তবতার সন্মুখীন হতে হয়। চরম আর্থিক সংকট, জীবন-জীবিকা নির্বাহের টানাপোড়েনের কষাঘাতে সপ্তম শ্রেণিতে পড়াশোনা কালীন সময়েই গৃহশিক্ষকতা করেন। জীবনের বিভিন্ন বাক পরিবর্তন আর চরাই-উৎরাইয়ের মধ্যেও শিল্পী হাল ছাড়েননি। সংগীতচর্চা করে আসছেন ছোটবেলা থেকেই । জীবনে প্রথম বাদ্যযন্ত্র হিসেবে হাতে নেন স্বরাজ। মতিলাল গোসাই স্বরাজগুরু।

ভাওয়াইয়া গান ও দোতরা শিখেছেন প্রখ্যাত লোক সংগীতশিল্পী ও দোতরা বাদক অভয় রায়ের কাছে। তবলা, ঢোল, বাঁশিতে তালিম নেন বিশিষ্ট লোকসংগীত শিল্পী ভবানী রায়ের কাছে। তিনি ভাটিয়ালী, ভাওয়াইয়া, বাউল, কীর্তন, শ্যামাসংগীত ও সমাজ সচেতনতামূলক গান সব মিলিয়ে সহস্রাধিক গান রচনা করেছেন।

 



আজি শুনো মৈশাল না যান বাথানে

দেহাটার নাই ভাল

তোমরা মোক ছাড়িয়া গেইলে

ক্যামনে কাটাইম কাল রে।

শুনো মৈশাল না যান বাথানে…।

 

দ্যাশে আজি ঘোর কলিকাল

পাড়ায় পাড়ায় নাইগছে ক্যাচাল

কারো আজি নাইরে ভাল

চারো পাকে মিথ্যার জাল

এইতো দ্যাশের হাল…।

 

আইসোরে ভাই চাষার দল

তোমরায় হামার দ্যাশের বল

তোমরায় করেন রক্ত জল

সগায় খায় সেই ফল

ভাইরে চাষার দল…।

 

মোছো মৈশাল চোখের জল

কি করেন ভাবিয়া

কি করিবেন এই যুগতে

মৈষের বাথান দিয়া

বন জঙ্গল শ্যাষ করিছে

কাটিয়া কাটিয়া…।

 

ও মোর পতিধন

বিধাতায় কি দিলেন নেকিয়া

আজি বিনা দোষে

পতিহারা মুই

ব্যাড়াং রে কান্দিয়া…।

 

 

 

ফুল ফুটিছে বাগানে

বন্ধুয়া মোর নাই ক্যানে

মনটায় আজি মোর

বাধায় না মানে…।

 

কন্যা, মাহুতের জীবনের কথা

একবার শুনি যাও

হস্তি নাড়োং হস্তি চড়াং

হস্তির ধোয়াং গাও

কন্যা তোমার বাদে

আইজ ঘুরিয়া বেড়াও….।

 

ও মোর ভাবের বন্ধুরে

ব্যাজার ক্যানে মন

আসির নাই পাং আজি

মুই চড়াইচোং রান্ধন

ভাত রান্ধিয়া দ্যাখোং আসি

গেইছেন চলিয়া

ঘাটের পারোত মাটি দ্যাখোং

গেইছে ভিজিয়া…।

 

এ রকম শ্রোতা নন্দিত গানগুলো অখন্ড সুরের মুর্ছণায় অগণিত ভক্ত দর্শক শ্রোতাদের অন্তর ছুঁয়েছে অপার মহিমায়। তার গানের কথা ও জাদুকরী সুরেলা কন্ঠ নিমিষে মুগ্ধ ও বিমোহিত করে তোলে।

 

সাহিত্যের স্কুল প্রতিষ্ঠায় ড. আনন্দ গোপাল ঘোষ এবং গবেষণার কাজে ড. শেখ মকবুল ইসলাম এর কথা কৃতজ্ঞতা চিত্তে স্মরণ করেন। লোকসংস্কৃতি গবেষক শচীমোহন বর্মন এর মুক্তচিন্তা থেকে নিয়মিত প্রকাশিত হয়ে আসছে পত্রিকা মুক্তচিন্তা। উত্তরবঙ্গের লোকসংগীত চর্চার ইতিহাসে শচীমোহন বর্মন একটি অতি পরিচিত নাম। তাঁর সম্পাদিত লোকসংগীত স্বরলিপি (ভাওয়াইয়া প্রথম খন্ড) গ্রন্থটি একটি অনন্য গ্রন্থ। গ্রন্থটিতে দশ জন প্রথিতযশা ও নন্দিত লোকসংগীত শিল্পীর স্বরলিপি সহযোগে একশত বিশটি গান এবং স্বরলিপি ছাড়া সাতানব্বইটি ভাওয়াইয়া গান লিপিবদ্ধ করা হয়েছে যা প্রশংসাযোগ্য। বইটিতে ভাওয়াইয়া গানের নানাবিধ সাংগীতিক রুপ যেমন-চটকা, চিতান, চলন্তী, ক্ষীরল, কাটাক্ষীরল, দরিয়া, গড়ান, আড়দরিয়া, সোয়ারী ভাওয়াইয়ার গানের গোত্র বা প্রকৃতি বিভাজনের প্রশ্নে বৈষয়িক এবং সাংগীতিক উভয় মানদন্ডকেই মান্যতা প্রদান করা হয়েছে।

 

 

 

মুক্তচিন্তা সাহিত্য অনুশীলন কেন্দ্র

 

কথাকলি পত্রিকা প্রকাশের মধ্য দিয়ে মুক্তচিন্তা কেন্দ্রিক কবি ও লেখক তৈরির কাজ শুরু হয় ১৯৯৪ সালে সিঙ্গিমারী মদনা কুড়া যুবক সংঘ ক্লাবের ব্যবস্থাপনায় । চাংড়াবান্ধায় ১৯৯৯ সালে দিশারী পত্রিকা প্রকাশের মধ্য দিয়ে মুক্তচিন্তার বিকাশ ঘটে। ২০০২ সালে মুক্তচিন্তা পত্রিকা প্রকাশের মধ্য দিয়ে মুক্তচিন্তা সাহিত্য আন্দোলন শুরু হয়। ২০০৩ সালের ১৮ জানুয়ারি সাহিত্যের স্কুল পাঠ্যক্রম পরিকল্পনা রচনার একটি খসড়া তৈরি হয় এবং ২০০৪ সালের ১৮ জানুয়ারি একটি আসাম বাংলা সাহিত্য সভায় এর প্রকাশ ঘটে। সেই বছরেই প্রতিষ্ঠা করা হয় প্রথম সাহিত্যের স্কুল মুক্তচিন্তা সাহিত্য অনুশীলন কেন্দ্র। এখন এই আন্দোলন বহুমুখী ধারায় প্রবাহিত। মুক্তচিন্তা সাহিত্য অনুশীলন কেন্দ্রের উদ্দেশ্য হলো-সাহিত্য-সংস্কৃতির চর্চাকে সমাজের সর্বস্তরে ছড়িয়ে দেয়া। বর্তমান সমাজে মানবিক মূল্যবোধের যে চরম অবক্ষয় শুরু হয়েছে তা সম্পূর্ণরুপে নির্মূল করা। সমষ্টিগত সমাজ চেতনাকে উন্নীত করা। লোকসাহিত্য ও লোকসংস্কৃতি চর্চাকে প্রসারিত করে বিশ্বসাহিত্য ও সংস্কৃতির সাথে সন্তলিত(Adjustment) করা। সাংস্কৃতিক চেতনা বৃদ্ধি করার জন্য অভিনয়, নাচ, গান শিক্ষার ব্যবস্থা করা এবং জনগণের নৈতিক মানের উন্নয়ন ঘটানোর জন্য কবি, সাহিত্যিক ও মহাপুরুষদের জীবনী প্রকাশ এবং তাদের জন্মদিন পালন। স্থানীয়, জাতীয় এবং আর্ন্তজাতিক গুরুত্বপূর্ণ দিবসগুলি পালন করা। মননশীলতা এবং সংবেদনশীলতাকে ছড়িয়ে দেবার জন্য সাহিত্য চর্চাকেন্দ্র গড়ে তোলা এবং সাহিত্য ও অন্যান্য বিষয়ের পত্র-পত্রিকা প্রকাশ করা। সুস্থ, সুন্দর মানব সমাজ এবং পৃথিবী গড়ার জন্য মুক্তচিন্তাকে প্রতিষ্ঠিত করা। মুক্তচিন্তা লোসংগীত একাডেমি, মুক্তচিন্তা সাহিত্য অনুশীলন কেন্দ্র, মুক্তচিন্তা ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশন, মুক্তচিন্তা লোকসংস্কৃতি চর্চা ও গবেষণাকেন্দ্র এবং মুক্তচিন্তা পত্রিকায় বিভিন্ন কর্মদক্ষ ব্যক্তিগণ কাজ করে যাচ্ছেন। মুক্তচিন্তায় যাঁরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন তাদের মধ্যে শচীমোহন বর্মন, নন্দবালা বর্মন, গৌতম সরকার, গোলাম মোস্তফা হোসেন, কৃষ্ণ কর্মকার, শঙ্কর শীল শর্মা, রামকৃষ্ণ বর্মন, অভয় রায়, খগেন বসাক, সুনীল অধিকারী, বাদল রায়, শঙ্কর রায়, দীনবন্ধু রায় পাটোয়ারী, হিতেন্দ্রনাথ রায়, দিলীপ বসাক, গোপাল রায়, সজল চন্দ, জয়দীপ সেন, মৃত্যুঞ্জয় সিংহ সরকার, দেবাশীষ সেন, মাওলানা সহিদুল ইসলাম, কুনাল নন্দী, সুনীল অধিকারী, কামেশ্বর রায়, রামেমাহন বসাক, প্রভূ চন্দ্র রায়, নীল কমল বাড়ই, লহ্মী নন্দী, আনারুল ইসলাম প্রামানিক, এ. আর আলম সরকার, বিকাশ রায়, সফিকুল ইসলাম, এরশাদ হোসেন(সুমন), দীপ চন্দ, বাবুলাল সেন, অশোক কুমার সরকার, প্রিয়াঙ্কা সরকার, বিদেশ সিংহ, মদন মোহন মহন্ত, আবু তাহের রব্বানী, সুরেশ চন্দ্র রায়, মনোরঞ্জন রায়, ব্রহ্মসিংহ সরকার, আশিষ অধিকারী, গোপাল চন্দ্র দাস, সবিতা বর্মন, বিজয় বর্মন, রাজু মন্ডল, আজাদ হোসেন, আলনূর নবী ইবনে ইসলাম, বিধান চক্রবতী, স্মৃতিকণা সরকার, রুহল আমিন প্রমুখ ব্যক্তিত্ব উল্লেখ্য।

 

 

 মুক্তচিন্তা লোকসংগীত একাডেমি

 লোকসংগীত, লোকনৃত্য ও লোকবাদ্যকে পরীক্ষা ব্যবস্থার মধ্যে নিয়ে আসা। হারিয়ে যাওয়া লোকসংগীত, লোকনৃত্য ও লোকনাটক উদ্ধার, সংরক্ষণ এবং এসবের গুরুত্বকে জনপ্রিয় করে তোলে মুক্তচিন্তা লোকসংগীত একাডেমি এবং সেই সাথে বিভিন্ন চর্চা কেন্দ্রের সাথে সমন্বয় সাধন করে থাকে।

 

 

মুক্তচিন্তা ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশন

 

মুক্তচিন্তা ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশন এর উদ্দেশ্য হচ্ছে জনস্বাস্থ্য, শিক্ষা ও পরিবেশ বিষয়ে মানুষকে সচেতন করে তোলা এবং সেই সাথে দরিদ্র, অসহায় ও দুস্থ মানুষের পাশে থেকে সহায়তা প্রদান করা।

 

 

মুক্তচিন্তা লোকসংস্কৃতি চর্চা ও গবেষণাকেন্দ্র

 

লোকসংস্কৃতি বিষয়ে গবেষণা করে মুক্তচিন্তা লোকসংস্কৃতি চর্চা ও গবেষণাকেন্দ্র। হারিয়ে যাওয়া লোকসংগীত, লোকনৃত্য ও লোকনাটক উদ্ধার, সংরক্ষণ এবং এসবের গুরুত্বকে জনপ্রিয় করে তোলাই গবেষণা কেন্দ্রের কাজ।শিক্ষার প্রাথমিক স্তর থেকে লোকসংস্কৃতির বিশেষ বিশেষ বিষয়কে যুক্ত করে শিশু মানসিকতায় তার যুক্তিসংগত বিকাশ ঘটানো এবং লোকসংস্কৃতি যে সমাজ সভ্যতার শেকড় সে সমন্ধে চেতনা জাগ্রত করা। সংগীত, নৃত্য ও অভিনয়ে দক্ষ করে তোলা এবং অপসংস্কৃতি থেকে এসবকে মুক্ত করা।

                                                                

 

মুক্তচিন্তা পত্রিকা

 

মুক্তচিন্তা পত্রিকা প্রকাশের উদ্দেশ্য হলো- সাহিত্যের স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের লেখা প্রকাশের মাধ্যমে লেখনীর মানকে উন্নত করা। নবীন লেখকদেরকে লেখালেখিতে উৎসাহিত করার পাশাপাশি প্রতিষ্ঠিত লেখকদের লেখা পর্যালোচনা করে মুক্তচিন্তা পত্রিকা।যে সমস্ত ভাষা, উপভাষা এবং আঞ্চলিক ভাষা এখনো দুর্বল পর্যায়ে আছে, সাহিত্য অনুশীলন ও চর্চার মাধ্যমে মর্যাদা সম্পন্ন ভাষায় প্রতিষ্ঠিত করা মুক্তচিন্তার কাজ। লোকজীবন ও জীবন সংস্কৃতি চর্চা এবং ন্যায় ও সামাজিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠিত করে মুক্তচিন্তা পত্রিকা লেখা প্রকাশের মাধ্যমে। সাহিত্য অনুশীলনকে তৃণমুল পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া এবং মুক্তচিন্তা প্রকাশের মাধ্যমে সকল প্রকার অন্যায় ও অবিচারের বিরুদ্ধে সচেতনতা ও জনমত গড়ে তোলা। নতুন পত্রিকা প্রকাশে উৎসাহিত করা এবং পুরোনো পত্রিকাসমূহের নিয়মিত প্রকাশনায় সহযোগিতা করে মুক্তচিন্তাকেন্দ্র।

 




৩টি মন্তব্য:

  1. শচীমোহন দা লোক সাহিত্য, লোক সংস্কৃতিতে সর্বজনীন শ্রদ্ধেয় একটি নাম। ওনাকে আমার অগণিত শ্রদ্ধা।
    সঙ্গে এই সুন্দর লেখনীর লেখক আমার খুব কাছের সুশান্ত বাবুকেও স্নেহ, শ্রদ্ধা।

    উত্তরমুছুন
    উত্তরগুলি
    1. এই মন্তব্যটি লেখক দ্বারা সরানো হয়েছে।

      মুছুন
    2. অনেক ভালোবাসা আর ধন্যবাদ জানাই । শচীমোহন বর্মন ও মুক্তচিন্তাকেন্দ্রকে নিয়ে লেখাটি এবং সইকথায় প্রকাশের জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাই শ্রদ্ধেয় সম্পাদিকা মহাশয়কে। লোক-সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে তার যে অবদান তা অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই। শুভকামনা নিরন্তর।

      মুছুন