দু’জনেই একা। এই পৃথিবীতে যেন দুজনেরই কোনও দাম নেই। একজন হল শস্য বিশ্বাস।
জন্মের পরেপরেই
মাকে হারিয়েছে। অন্যজন হল একটি গাছ। বাহিরবেনা
গ্রামের উত্তরপাড়ার খাঁখাঁ প্রান্তরে একটিমাত্র গাছ। আশেপাশের রুক্ষ মাটির চাঙড়
ভেদ করে সটান দাঁড়িয়ে । আধশুকনো। লোকে বলে বন্ধ্যা গাছ। গ্রামের
লোক গাছটিকে ছোঁয়া তো দূর তাকায় না পর্যন্ত । কেউ
এক ফোঁটা জল তার গোড়ায় ঢালে না । তবু একান্ত আগ্রহে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকে।
অপেক্ষা করে । কেউ নিশ্চয়ই
আসবে।
শস্য অমনই ব্রাত্য। তার ফ্যাকাসে ,লিকলিকে শরীর। কী বাড়িতে, কী স্কুলে ,কেউই তার খোঁজখবর
রাখে না । বাবা শমিত বিশ্বাস ভাবেন তার কারণেই
প্রথম স্ত্রীকে হারিয়েছেন। যদিও তিনি পুনরায় বিয়ে
করেছেন। দ্বিতীয় পক্ষের একটি তিনবছরের ছেলেও আছে । শরণ্য বিশ্বাস । বড় ছেলে শস্যর
প্রতি ভীষণ
নির্লিপ্ত শমিত । বাবা ও সৎমায়ের অত্যন্ত উদাসীনতার মধ্যেই শস্য বড় হয়েছে। সে এখন
মণিকাঞ্চন হাইস্কুলের পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্র। প্রতিদিন বাবার পুরাতন সাইকেলটা নিয়ে
স্কুল যায়। ফেরার পথে ন্যাড়া গাছটির কাছে সে আসে। নিজের ওয়াটার বটলে খাওয়ার জল
বাঁচিয়ে এনে গাছটির গোড়ায় ঢালে । গাছটির সঙ্গে গল্প করে। সে কোনো হাসির কথা বললে
গাছটি যেন শুকনো ডালপালা নেড়ে শব্দ করে হেসে ওঠে। গাছের এমন কাণ্ড দেখে একদিন শস্য গাছটির নাম দেয়
‘ শব্দ’। তাদের
এমন বন্ধুত্বর কথা কীভাবে যেন ক্লাসের রতন হালদার জেনে গিয়েছিল। রতন তার দলবল নিয়ে
একদিন ছুটির সময় শস্যকে ঘেরাও করে,
“এই যে শস্যবাবু বাড়ি যাওয়া হচ্ছে বুঝি ? তা তোমার বন্ধুর জন্য জল নিয়ে যাচ্ছ তো ?”
শস্য কোনো উত্তর না দিয়ে সাইকেলটা ঘুরিয়ে নিয়ে চলে
যেতে চায়। পারে না ।
ছেলেরা তার সাইকেল
ধরে আটকে রাখে। রতন তার ব্যাগটা ছিনিয়ে নিয়ে জলের
বোতল বের করে নেয়,
“আমার জলের বোতলটা দিয়ে দাও বলছি।’’
“দেব না। কী করবি ? তোর বাড়িতে
বলে দেব যে প্রতিদিন তুই ওই মাঠের অপয়া গাছটার কাছে যাস।’’
“আমার বোতল দাও।’’
রতন বোতলের জলটুকু সব ফেলে দিয়ে তাকে বোতলটা দেয় ।
সেদিন শস্য ফাঁকা বোতলটা নিয়েই
গাছটির কাছে যায়। গাছটিকে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে থাকে ।
গাছটি তার ন্যাড়া ডালপালায় অজানা
শব্দ করে তাকে স্বান্তনা দিতে থাকে। দু’জন দু’জনকে দীর্ঘক্ষণ জড়িয়ে
থাকে । মাঠের শূন্য বাতাস নিঃসঙ্গ দুটি প্রাণে গুন গুন করে ওঠে- একদিন ভালবাসার
স্পর্শে দুজনেই সবুজ সতেজ হয়ে উঠবে ।
গ্রীষ্মের ছুটি পড়েছে । বিকেলে শস্য সাইকেল বের
করছে। উপর থেকে
সুলতা দেবীর চিৎকার শোনা যায় –
“ কিরে আজকেও তোকে বের হতে হবে ! এই প্রচণ্ড গরমে
কোথায় চলেছিস ? ঘরে কি মন বসে না ?
আজ উনি ফিরুক তারপর মজা দেখাচ্ছি । ঘরে থাকলে তো
বাবু নিজের ঘর থেকে বেরই হন না । ছোটো
ভাইটার সঙ্গে একটু খেলতেও তো পারিস।’’
শস্য একটাও কোনো কথা বলে না। মুখ নিচু করে থাকে।
সুলতা দেবী গজগজ করতে করতে ঘরে ঢুকে যায়
শস্য লুকিয়ে আনা জলের বোতলটা সাইকেলের কেরিয়ারে
আটকে বেরিয়ে যায়। কিছু পথ যেতে না যেতেই
হঠাৎ ঝড় ওঠে । ধুলোর ঝড় । তবে কী বৃষ্টি হবে ? দীর্ঘদিন খরা চলছে। খাল ,বিল
পুকুর সব শুকিয়ে ফুটিফাটা । শস্যর খুব আনন্দ হয়। বৃষ্টি হলে গাছটি যে বেঁচে যাবে ।
সে কোনোরকমে সাইকেল নিয়ে এগিয়ে
যাওয়ার চেষ্টা করে। পারে না । বৃষ্টি এক ফোঁটা
নেই। চারিদিক অন্ধকার করে কেবল ধুলোর ঝড়। ঝড়ে টাল
সামলাতে না পেরে রাস্তায় পড়ে যেতে যেতেও রক্ষা পায়
। ধুলোর অন্ধকারে কে একজন তার হাত ধরে সাইকেল থেকে তুলতে তুলতে বলে ওঠে,
“খোকা লাগেনি তো ? একটু বসোদিকি
এই চালার নিচে । ঝড় থামলে তোমার গাছবন্ধুর কাছে যেও।’’
শস্য অবাক হয়ে যায় ! কে ইনি ! জানলেন কীভাবে সে
তার গাছবন্ধুর কাছে যাচ্ছে ! এমন সস্নেহে কেউ তো
তাকে কোনোদিন খোকা বলে ডাকেনি ! ধুলোর কারণে
লোকটিকে সে ঠিকমতো দেখতেও পায় না !
“ সব জানি । রোজ তুমি কোথায় যাও। তোমার কথা। তোমার বাড়ির কথা। তোমার আঁকার খাতার
কথা। বৃষ্টি এখন হবে না । একটা কাজ করো আমার এই
দড়িগাছাটা নাও । এটা ছুড়ে আকাশের গলায়
ফাঁস লাগিয়ে টেনে গাছের গোড়ায় বেঁধো । দেখবে ঝমঝম
করে বৃষ্টি নেমে আসছে গাছের মাথায়।’’
শস্য অবাক স্বরে বিড়বিড় করে ওঠে –
‘পাগল নাকি ! বলে কি ! দড়ি দিয়ে আকাশের গলায় ফাঁস দিয়ে নামাব !’
“পাগল নই গো । এই নাও দড়িগাছা । তোমাকে এই অমূল্য
সম্পদ দেওয়ার জন্য কবে থেকে যে অপেক্ষা করছি …’’
কথাগুলো বলতে বলতে একগাছা রামধেনু রঙ দড়ি তার হাতে
দিয়ে বলল,
“খোকা আর দেরী নয়। ধুলোর ঝড় কমে এসেছে । এইবেলা
তাড়াতাড়ি তোমার বন্ধুর কাছে যাওদিকি। মনে করে এখনি দড়িটি আকাশের দিকে ছুঁড়ে দিও । ভুলে যেও
না যেন। দড়ির আর
এক প্রান্ত দিয়ে তোমার বৃক্ষবন্ধুর কোমরটা জড়িয়ে দিও।’’
শস্য দড়িগাছাটা কাঁধে নিয়ে সাইকেলে উঠে ধন্যবাদ
জানাতে পিছন ফেরে । কিন্তু কেউ কোথাও নেই
যে ! কেবল হাল্কা একটি ধুলোর আস্তরণ ! একটা অজানা
ভয় তাকে ঘিরে ধরে। দ্রুত সাইকেল চেপে এগিয়ে যায় মাঠের দিকে । প্রচণ্ড ধুলোয় নাক
শিরশির গন্ধের মধ্যে গাছটি দাঁড়িয়ে । সাইকেলটা রেখে শস্য গাছের মাথার উপর দিয়ে
সমানে দড়িটি আকাশের দিকে ছুঁড়ে দিতে থাকে । বারবার ছুঁড়তে ছুঁড়তে ক্লান্ত হয়ে পড়ে।
দিনের আলো ধীরে ধীরে কমে আসে। একসময় তার মনে হয় দড়িটি যেন আকাশে বিঁধেছে ! দড়ির
নিচের অংশ গাছের গোড়ায় জড়িয়ে অবসন্ন দেহে গাছের নিচে বসে পড়ে । সে দেখতে পায় চারিপাশের সমস্ত
আলো নিভে আকাশে গুটিকয়েক তারা তার দিকে চেয়ে !
তারাদের মাঝে চাঁদের মত মুখ নিয়ে ফুটে আছে এক স্নেহময়ী রমণী !
“মা ! মা ! তুমি এসেছ ! এতদিনে মনে পড়ল !”
আকাশ থেকে ঝুলে থাকা রামধেনু রঙ দড়ির সিঁড়ি বেয়ে
সে রমণী নেমে আসে । শস্যর গায়ে মাথায় হাত বুলিয়ে দেয়। সে পরম আনন্দে মায়ের কোলে
মাথা রেখে ঘুমিয়ে পড়ে ।
২
“উঃ, কী অন্ধকার ! আলো নেই ! মা ,
মাগো তুমি কোথায় ? আমার দড়িগাছাটা তোমারা
লুকিয়েছ ! দাওনা , বোঝনা কেন , ওই দড়ির সিঁড়ি বেয়ে যে আমার মা নেমে আসে আকাশ থেকে।’’
“জ্যেঠু ,কোথায় অন্ধকার ! দেখো
চারিদিক যে আলো।’’
“ মিথ্যে কথা । সবাই মিথ্যুক।’’
শস্য বিশ্বাস আজ পঞ্চাশ বছর ধরে তার ঘরে বন্দী । এক ধুলোঝড়ের সন্ধেতে কয়েকজন গ্রামবাসী তাকে জনশূন্য সেই মাঠে অজ্ঞান অবস্থায় পায় । গাছের নিচে
পড়েছিল । বাড়িতে আনার পর সেই থেকে আজ
পর্যন্ত সে তার মায়ের খোঁজ করতে থাকে । খোঁজ করে
একগাছি দড়ির । কালক্রমে তার শরীরের বয়স
বাড়লেও মনের বয়স বাড়েনি । বিমাতা সুলতা দেবী নিজের
ভুল বুঝতে পারেন। স্নেহ ভালবাসা দিয়ে
মৃত্যুর আগে পর্যন্ত শস্যকে আগলে রেখেছিলেন । মারা
যাবার আগে নিজের ছেলে শরণ্যকে বলে যান দাদার
দেখাশোনা করতে । সুলতা দেবী অনেকদিন হল গত হয়েছেন
। শরণ্য বিশ্বাসেরও এখন বয়স হয়েছে। শরণ্যর ছেলে সবুজ পড়াশোনার ফাঁকে
জ্যেঠামশায়ের দেখাশোনা করে । এমনিতেই তার জেঠু চুপচাপ । নিজের মনে কখনও বসে খাতায় আঁকছে। কখনও জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়েই থাকে । প্রায়ই সন্ধের সময়
চিৎকার করে মা মা করে ।
কদিন প্রচণ্ড গরম । তারউপর কাজের চাপে দাদার ঘরে
ঢোকেনি শরণ্য । জ্ঞান হওয়া অবধি সে দেখছে দাদা নিজের ঘরে চুপচাপ থাকে । মাঝে মাঝে ককিয়ে কেঁদে
ওঠে । দাদার ঘরে এখনও তার স্কুলের বইপত্র , আঁকার খাতা
সাজানো । মাঝেমধ্যে সারারাত দাদা আলো জ্বেলে কি আঁকিবুঁকি কাটে । বিকেলের পর থেকেই
বেশ মেঘ করে আসছে । বৃষ্টি হবে বোধহয় । কি মনে করে শরণ্য দাদার ঘরে ঢোকে । দখিনের
ঘরে সবুজ গান গাইছে – ‘মেঘের পরে মেঘ জমেছে ,আঁধার করে আসে ,আমায় কেন বসিয়ে রাখো একা দ্বারের
পাশে ?’ গানটি শুনতে শুনতে শরণ্যর বুকটা ভেঙে যায় । ছেলেটা
যে বড় হতভাগা । ছোট বেলাতেই মাকে হারিয়েছে । চোখটা ঝাপসা হয়ে আসে । চোখটা মুছতে
মুছতে দাদার ঘরে ঢোকে । তাকে দেখে দাদা জিজ্ঞেস করে,
“কে গান গাইছে ?”
শরণ্য অবাক হয়ে যায় ! দাদা এই প্রথম এত বছরে মা
ছাড়া অন্য কথা বলল !
“সবুজ গাইছে দাদা । আমার ছেলে সবুজ।’’
“এখানে আয়। বোস আমার কাছে।’’
দাদা তাকে ডাকছে ! যে মানুষটা আজ পর্যন্ত কাউকে
চিনতে পারেনি ! শরণ্য হাসিমুখে দাদার বিছানার
পাশে বসে । শরণ্যর কাঁচা পাকা চুলের মধ্যে হাত
বুলিয়ে দিতে দিতে ছটফট করে ওঠে,
“আঃ , বন্ধু খুব কষ্ট হচ্ছে…”
“বন্ধু ! সে কে ?”
শস্য কোনো কথা না বলে বিছানায় শুয়ে পড়ে । বেশ জোরে
হাওয়া বইছে। জানালার পাল্লাগুলো দড়াম দড়াম শব্দে ধাক্কাচ্ছে। সেই শব্দে যেন বুকের খাঁচা অবধি দুলে ওঠে ! শরণ্য জানালার পাল্লাগুলো বন্ধ করে
আলোটা জ্বেলে দিয়ে বের হয়ে যায় । নিচে নামার
সিঁড়ির মুখে যেতে না যেতেই দাদা ঘরের দরজা ভেজিয়ে দেয় । শরণ্য বুঝতে পারে আজ
সারারাত দাদা তার আঁকার খাতায় আঁকিবুঁকি কাটবে । এমনটিই হয়ে আসছে এতকাল । এ সময়
দাদা কিছু খায়ও না, কেউ ঘরে
প্রবেশ করুক তাও চায় না
সারারাত অঝোর ধারায় বৃষ্টির পর সকালে সোনালি রোদে
ঝিকমিক করছে । এত বেলা অবধি জেঠুর ঘরে আলো জ্বলতে দেখে সবুজ ঘরে প্রবেশ করে ।
পরমুহূর্তে সবুজের আর্তনাদ শুনে শরণ্য দাদার ঘরে ছুটে যায়,
“বাবা দ্যাখো জেঠু উঠছে না!”
বলতে বলতে যুবক সবুজ বাচ্চাদের মতো শস্য বিশ্বাসের
পা জড়িয়ে ধরে কাঁদতে থাকে । জেঠুর সঙ্গে তার যে একটা নিরব মধুর সম্পর্ক ছিল ।
শব্দহীন একটা অমোঘ ভালবাসা ছিল । শরণ্য ছেলের মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে দিতে বলে,
“বড় কষ্ট পাচ্ছিলরে । কাঁদিস না ।তোর জেঠু দ্যাখ কেমন
শান্তিতে ঘুমিয়ে আছে।’’
কথাগুলো বলতে বলতে দেখে দুটো কিসের ছবি উলটো ভাবে
বুকের উপরে রাখা । ছবি দুটো অতি যত্নে শরণ্য ও সবুজ দেখতে থাকে । একটা ছবিতে খাঁ
খাঁ মাঠের মাঝখানে একটি ন্যাড়া গাছ । গাছের নিচে দাঁড়িয়ে একটি বছর বারোর ছেলে ।
তার হাতে একগাছা রামধেনুরঙ দড়ির একপ্রান্ত ধরা। অপর প্রান্তটি যেন আকাশে মিলিয়ে গিয়েছে ! অপর ছবিটিতে মাঠটি সবুজে ঢেকে
। একটি গাছ দাঁড়িয়ে। গোলাপি ফুলে ফুলে
ছেয়ে থাকা গাছটির গুঁড়িতে রামধেনু রঙ দড়ি বাঁধা! দড়ির অন্য প্রান্ত আকাশে ঠেকে । আকাশটি যেন
গাছটির মাথায় নেমে এসেছে ! আকাশ থেকে বৃষ্টি পড়ছে
। একজন অতি বৃদ্ধ মানুষ গাছের নীচে দড়িটি স্পর্শ করে ঘুমিয়ে আছে ।
“বাবা ,কি অপূর্ব ছবি ! কি
আশ্চর্য ভাবনা !”
শরণ্য চোখের জল ফেলতে ফেলতে বলে ওঠে,
“হ্যাঁ , এতদিনে তোর জেঠু দড়িটি
খুঁজে পেয়েছে।’’
এর কিছুদিন পর বাবা ও ছেলে শহর থেকে গ্রামে ফিরছে। ছেলে ড্রাইভ করছে । চারদিক বিকেলের আলো নিভে মেঘের
গ্রীবার মতো সন্ধে নেমে আসছে । একটি মাঠের পাশের রাস্তা ধরে যেতে যেতে ছেলে সবুজ
উত্তেজনায় চিৎকার
করে ওঠে,
“বাবা দ্যাখো, ওই দূরে যেন জেঠুর আঁকা সেই গাছটির মতো অবিকল একটা গাছ দাঁড়িয়ে ! থোকা থোকা গোলাপি
ফুলগুলো জ্বলছে যেন !”
শরণ্য এই সবকিছুর মধ্যে আরও এক দৃশ্য দেখে । একটি
এগার বারো বছরের ছেলে গাছটির নীচে দাঁড়িয়ে ।
আকাশে তখন রামধেনু রঙ । মনে হচ্ছে একটি উজ্জ্বল
দড়ি আকাশ থেকে নেমে এসে ছেলেটির মুঠোয় বন্দী ! গাড়ি সেই গাছের দিকে এগিয়ে যেতে
যেতে ছেলেটি মেঘের রঙে মিলিয়ে গেল সন্ধের আকাশে । আর
গাছটি হাজার ফুলের আলো হয়ে দাঁড়িয়ে রইল আকাশের
নিচে নির্জন মাঠের মধ্যে।



0 মন্তব্যসমূহ