নিমাই জানা

 


দুটি কবিতা

 



 অবলিক ভ্রুণ অথবা ফিউচার পার্ফেক্ট কন্টিনিউয়াস


ধূসর লজ্জাবতী গাছের দৈর্ঘ্যহীন বিছানার কাছে এসে মাঝে মাঝে নগ্ন হয়ে শুয়ে থাকলেই রিপুগন্ধ উড়ে বেড়ায় ,
একাদশ সনাতন ঋষি নক্ষত্রেরা অলিন্দ গহ্বরের লাবডুবে পৌঁছে যাওয়া ফিউচার পারফেক্ট কন্টিনিউয়াস

আমি কিছু ট্রান্সজেন্ডার ফিজিওলজি নারীদের অভিব্যক্তি গুলো কাঁটা কম্পাস দিয়ে মেপে রাখি রাতের ৩ নম্বর পৃষ্ঠায়
নদীটি সাগরে পৌঁছানোর আগে ক্রমশ গর্ভবতী হয়ে পড়ে কঙ্কালময় পরজীবীদের উর্বর তলপেটে অবলিক ভ্রুণ
রাত্রি তখন পিচ্ছিল প্রদেশে জমিয়ে রাখে পরকীয়ার লবঙ্গ ফুল ও ইরাবতী নদীর পবিত্র স্নান
এখন সাগরের হলুদ পাঞ্জাবিটি নীল রঙের অযৌন জরায়ুজ , আলোকবর্ষের নিচে দাঁড়ানো অযোগবাহ নক্ষত্রেরা জীবাশ্মহীন জীবন পাঠে রত থাকা হলুদ মেহগিনি পাতাটি ভরে রাখেন আবৃত দশমিকের মাথায় , নাগেশ্বর তিনি এই অপরাজিতা তলায়
তারপর আমি আর হোমার একসাথে ১০০এম এল হেমলক ভাগ করে খেয়ে অবনত মুখে গুহার লিপি গুলো পড়ে ফেলতে পারবো নেশাখোর লাল রঙের নার্স রোগীদের মতো

আমাদের পায়ের গোড়ায় ত্রিভঙ্গ হিজল গাছটি উঁকি মেরে সব রক্ত শুষে বের করে নেবে
আমাদের গলায় তখন দুটো করবী ফুলের মালা ,
এবার ঘটা করে মৃত্যুবার্ষিকীর প্রস্তাব দেবেন পরম ঈশ্বর




 ২ 

উষ্ণতম পোশাক অথবা জিওমেট্রি ঘোড়া


প্রতিটি গুহা লিপির উপর রাত্রিকালীন শৈত্যপ্রবাহ আছে

মিশর সভ্যতা থেকে ফিরে এসে হোমারের কথাই বলেছিল সবাই,
  পাশাপাশি পাঁচটি বালিশের অবনত মুখ
কোঅর্ডিনেট জিওমেট্রির তলায় থাকা ঈশ্বর ও একদিন নেমে যাবে গুহার পাদদেশ দিয়ে এই যতিহীন সংসার পাঠের দিকে ,তাই ঈশ্বর তরল পানীয় স্পর্শ করে নেমে যান কৃষ্ণকায়া ভোরের দিকে , উষ্ণতম স্নানের পোশাক নিয়ে

আমি এক অবিচ্ছিন্ন বালক রাত্রিকালীন শব্দের ভেতর থেকে সজীব বাঁশিটি বের করে আনি নদীর ফেলে যাওয়া ফলমূল উচ্ছিষ্টের কাছে , প্রণামী রাখি পিতলের থালায়
রেক্টাঙ্গুলার বীর্য ফেলে যাওয়া নদীর চরে জন্ম নেয় রাত্রিকালীন দুর্বাসা , বাঁশীটি নিজে থেকেই বেজে ওঠে
এই বিভাজিত পাহাড়ের গোড়া থেকে স্তম্ভমূল ঘোড়াটির পদধ্বনি ছায়াময় সংক্রমণটির পুনর্জন্ম হলো আবার

ঈশ্বর কতোবার বিভাজিত করেছেন অবিনশ্বর সৃষ্টিকে চোখে ৩ পেগ রাত ,৩৩
° দ্রাঘিমার পাহাড় , একটি সুতোর মতো গুম্ফা ক্ষেত্রফলের জানু থেকে বেরিয়ে এলেন বিষধর ঋষিদের বংশ চক্র , সুমন সন্ততি
ঈশ্বর আমাদের সব রতিচক্র খেয়ে ফেলেন অলৌকিক ভাবে
তিনি একাই সঙ্গম করেন , তাই আমাদের কোনো সঙ্গমের অনুষঙ্গ নেই

দৈর্ঘহীন নীলনদ আমার জানু ফুঁড়ে বেরিয়ে আসছে এখন


কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন