নীলিমা সাহা

 


শ্রাবণী  মন্তাজ

 


১)

আমি  এখন শ্রাবণের সঙ্গে ভিজছি

সামনে দেয়াল ভূমিকার মতো খাড়া

তাতেই আঁকছি জ্যামিতি, ক্ষেত্রফলও

তিলে তিলে আষাঢ়-জমানো শ্যাওলায়

কথা রাখবার ফাঁক নেই ;মেঘেরই

আলে  ভাদই-বেলা , চলন্ত জানালায়

একলা গান  বাজে কলের শেষ ভোঁ-এ

অদূরেই ডানামেলা কাশের হাসিতে

ভাসে চির-শরতের দেশ--আহ্বান

জলের অতলে নদীঢেউ ,অভিমানী

ইচ্ছে ...নিশ্চুপ রহস্যে মনকেমনিয়া

ঘর ---আপনপেরোনো দায়,হু হু যায়

ছুটে আপ-ডাউন মেলের হুইসল  ...

দেয়ালে এক তিল ফাঁক নেই, জ্যামিতি

রেখা আগলে শুধুই ভিজছি শ্রাবণে

 

 )


 

মেঘেরই আলিঙ্গন সারাক্ষণ । আড়ালে । প্রকাশ্যে।

বৃষ্টি আসে ,অজান্তেই,কোন মেঘে,কখন কে জানে!

 

 

অনর্গল  গর্জন।খোলা জানালা গল্প  আঁকে।বৃষ্টি

বোনে  কবিতা---শ্যাওলাসবুজ, পিছলচাতাল,ছিন্ন

বস্ত্র ভেসে বেড়ায়...বিপন্ন পুতুল---জানা নেই আজ

 স্বাধীনতা!!ক্রিয়াপদ ভেসে উঠতেই পাশে দ্বন্দ্ব

হাঁটে পথের  কঠিনে। ভুলগুলো হাসে--করুণ চাহাত

শুধরে নিয়েই শুকনো রক্তমাখা দুহাত দরজা খোলে

কারা যেন হাততালি দেয়---শাদা পায়রারা উড়ে যায়




কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন