অর্ঘ্যকমল পাত্র

 




গুচ্ছ কবিতা

শিল্প

 

কোনো মলিনতাই স্পর্শ করে না;

এতটাই মলিন তোমার মুখ

 

এ বিভ্রমের কাছে আজীবন

            মাথা নত করে বসে থাকি...

 

যেন এত উচ্চারণের ভুলচুক 

সমস্ত অগ্রাহ্য করেও

 

দুর্বোধ্য কিছু শব্দ শিখে গেল

খাঁচায় বন্দী পাখি

 

 



 

শিল্প--২

 

সাদা পাতায় প্রাণসৃষ্টি

এতটাই পবিত্র, এ-বয়সের ভুল

 

এসো, বসো, নিরাপদেই

সামান্যই তো কাজ আমার

 

তোমার-ই খোঁপায় শুধু 

গুঁজে দেওয়া ফুল

 



 

 

 

ঢেউ

 

প্রতিটি ভুল তোমার মতো প্লাবন

 

— এমন-ই এক মলিন বোধে

মেঘ মানে আমি শিখেছি শুধুই জল

 

দিনান্তে আসে যেইটুকু রোদ

জানালায় ছায়া; ছোট্ট গারদ

 

তবু তো লিখেছি তোমার জন্য ;

লিখে গেছি শুধু  কবিতা অনর্গল

 

 



 

আত্রেয়ীকে

 

 

যেকোনো সম্ভাবনাহেতু আমাদের দেখা হল;

হল-ই যখন, বাড়াবে হাত? সমুদ্রের দিকে?

 

সমুদ্রে আমি হাঁটুজল। সামান্যই শিখেছি 

খেতে; বাড়েনি তাই খিদে...

 

অবিশ্বাসে ভাবছ ভীরু?

ওরে হারামজাদি 

তোর জন্যই কাব্য লিখি;

                নাছোড় কোনো জিদে

 



 

নইলে

 

পরে কিছু হয় না; করতে হলে আজ

যাবতীয় ভূতে পাওয়া। হাস্যকর। গ্লানি।

যাবতীয় ক্লান্তিময়, দীর্ঘদেহী কাজ

অথবা ভুলতে শেখা  অবশ মুখখানি...

 

শিখতে হলে এখন-ই; লেখার আগে গ্রামার।

অন্যথায়, যেমন প্রেম,

আজ অবধি হয়ে ওঠেনি আমার...

 

 

 

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন