শীলা বিশ্বাস

 



সম্পাদকীয়


এমন এক যুগের প্রবর্তন হলো, সমাজ যেন নিজে নিজেই অচ্ছুত্‍ হয়ে গেল। জীবন বিষাণু দূষিত। যখন তখন প্রিয়জনের প্রিয় সাহিত্যিকের অকাল বিয়োগ জানতে পারছি এই সোশ্যাল মিডিয়ায়। মৃত্যু এখন পরিসংখ্যান। হ্যাঁ, অনেক প্রতিকূলতা আছে যা আমাদের কাজের ক্ষেত্রে পজিটিভিটি বা সক্রিয়তা বৃদ্ধি করে । কিন্তু আতঙ্ক বা ভয় সেক্ষেত্রে কিছুটা পিছিয়েই দেয়। আসলে কাজের ঘরে আলো নিভিয়ে দেয়।

বিগত এক বছর ধরে সম্পাদকীয় লেখার সময়ে ভেবেছি  অতিমারি বিষয়ে একটি  শব্দও খরচ করব না। অথচ ঐ বিষয়টি কেমন জাপটে ধরে আছে আমাদের। ক্রমশ হতাশাগ্রস্থ হয়ে পড়ছি। আর তার থেকে  আমরা অনেকেই ডিপ্রেশনের মতো মানসিক ব্যাধির শিকার হচ্ছি। কাজের প্রতি আগ্রহ হারাচ্ছি।  কিন্তু লক্ষ্যচ্যুত হলে তো হবে না । ভিতরের লড়াইটা জারি রাখতে হবে। 

লেখক সূচি- জুন'২০২১

   


এবং সইকথা (ত্রৈমাসিক)  ওয়েবজিন জুন'২০২১, 

 দশম সংখ্যার লেখক সূচি

মলয় রায়চৌধুরী

 

লুইস গ্লিক-এর কবিতা : অনুবাদ মলয় রায়চৌধুরী

সমরেশ মন্ডল

 


আদিম লতাগুল্মময় পুনর্পাঠ ও অনুষঙ্গ

 

বাংলা কবিতার আধুনিকতা প্রায় এক সঙ্গে জেগে উঠেছিল সেটা ১৯৭২-৭৩ সাল। বাংলাদেশের কবিরা হঠাৎ আমাদের কবি হয়ে উঠেছিল। যুদ্ধের কারণে শামসুর রহমান আল মাহমুদ নির্মলেন্দু গুণ মহাদেব সাহা বেলাল চৌধুরীদের ঠিকানা হয়েছিল কলকাতা।

তখন 'দেশ'ও 'অমৃত' দুটি সাপ্তাহিক পত্রিকা ছাড়া 'কবি ও কবিতা'পত্রাণু এবং রেডিও মাধ্যমে সাহিত্য বাসর শ্রবণী তথা বেতার জগৎ পত্রিকা ও আধুনিকতার দরজা খুলে দিয়েছিল আমাদের কাছে। আধুনিকতা বলতে কোর্সের বাইরের কবিতা পাঠ। দরজা খোলা ছিল তাই চোখে হঠাৎ আসা আলো লাগেনি।

সত্যপ্রিয় মুখোপাধ্যায়

 



গুচ্ছ কবিতা

সাগর বিশ্বাস

 




 

এবং সইকথা-সাক্ষাৎকার  জুন’২০২১

 বং ক সইকথা-ঈবংসাক্ষাৎকার   এবং সইকথা-সাক্ষা

এবং সইকথা :এবং সইকথার পক্ষ থেকে আপনাকে স্বাগত। অর্ধ শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে আপনার যে লেখক জীবন তার শুরুর দিনগুলোর কথা একটু জানতে চাই।  

 

সাগর বিশ্বাস: ছেলেবেলায় গল্পের বই পড়ার নেশা জন্মেছিল। আমার পাঠতালিকায় তখন মূলত স্বপন কুমার,শশধর দত্তদের গোয়েন্দা-গল্প আর শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়-এর গল্প - উপন্যাস। পড়তে পড়তেই কবে যেন লেখার ইচ্ছে জেগেছিল। স্কুলের মাস্টারমশাইরাও জানতেন আমি লুকিয়ে লুকিয়ে কিছু লেখালেখি করি।একবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইউ.এস.আই.এস.থেকে সারা পূর্ব পাকিস্তানের হাইস্কুলগুলিতে ছাত্রদের মধ্যে প্রবন্ধ প্রতিযোগিতার আয়োজন হয়। আমার বাংলার দুই মাস্টারমশাই নলিনীরঞ্জন দাস ও শামসুল আলমের উৎসাহ ও প্ররোচনায় সেই প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে পুরস্কৃত হই। আমার তখন নবম শ্রেণি। প্রত্যন্ত এক গ্রাম্য বিদ্যালয়ের পক্ষে সে ছিল এক গৌরবের দিন। সেই থেকে আমার শিক্ষকেরা ক্রমাগত আমাকে লেখার কাজে উৎসাহ জোগাতে থাকেন।

 

এবং সইকথা:  আমার শৈশবের শ্যামল কাকুকে অনেক পরে বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক, নাট্য সমালোচক , কবি , গল্পকার ও 'একুশ শতাব্দী' পত্রিকার সম্পাদক সাগর বিশ্বাস রূপে আবিষ্কার করি। এই নাম বদলের গল্পটা যদি একটু বলেন কাকু ।  

শ্রীশুভ্র ~ শঙ্খভুবনের দিগন্তে




শঙ্খ ঘোষ চলে গেলেন। রেখে গেলেন বাংলাসাহিত্যে এক নতুন ধারা। অনুসন্ধানমূলক গবেষণাধর্মী সাহিত্যধারা। না, এই কথা বলার উদ্দেশ্য এই নয়। এই ধারা শঙ্খ ঘোষই প্রচলন করেছেন সর্বপ্রথম। কিন্তু শঙ্খ এই ধারাকে প্রায় একক কৃতিত্বে সাবালক করে দিয়ে গেলেন। বাংলা সাহিত্যে সমালোচনা সাহিত্যধারা এমনিতেই বেশ দুর্বল। মূলত পাঠকের আগ্রহের অভাব। এবং প্রকাশকের অনীহা। ফলে যাঁরা তেমন যোগ্যতাও ধরেন। তাঁরা লেখার প্রেরণাও পান না ঠিকমত। পেলেও তার বাজারদর নেই তেমন। ফলে সব মিলিয়ে একটা অন্ধকার রয়েই গিয়েছে। না, সেই অন্ধকার শঙ্খও যে দূর করে দিয়ে যেতে পেরেছেন। সেকথা জোর দিয়ে বলার সময় আসেনি এখনো। কিন্তু তিনি অনুসন্ধানমূলক গবেষণাধর্মী সাহিত্যধারাকে সরাসরি সাধারণ পাঠক সমাজের হাতের কাছে নিয়ে আসতে সফল হয়েছেন অবশ্যই। অন্তত শঙ্খ ঘোষের পাঠক মাত্রেই জানেন, টিকা সর্বস্ব একাডেমিক গবেষণা গ্রন্থের থেকে শঙ্খের সাহিত্যের আলোচনা সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী। একাডেমিক পরিসরের বাইরে সাহিত্যের সাধারণ পাঠককে নিয়ে এসে তিনি সাহিত্য নিয়ে ভাবনা চিন্তা করার এক অমোঘ শক্তি ও স্বাধীনতা তাঁদের হাতে তুলে দিতে পেরেছেন। এখানেই শঙ্খ ঘোষের অন্যনতা। বাংলাসাহিত্যের পাঠক হয়তো বলতেই পারেন। কেন, স্বয়ং রবীন্দ্রনাথই কি সকলের আগে এই একই কাজ শুরু করে দিয়ে যাননি? অবশ্যই গিয়েছেন। কিন্তু রবীন্দ্রনাথের তিরোধানের পর এই ধারায় শঙ্খ ঘোষের মতো একজনের অভাব ছিল বহুদিনই। শঙ্খ যে শুধু সেই শূন্যস্থান পূরণ করেছেন তাই নয়। রেখে গিয়েছেন আপন নিজস্বতার এক অনন্য স্বাক্ষর।

সমীরণ ঘোষ

 



গুচ্ছ কবিতা

চন্দ্রনাথ শেঠ

 

  গুচ্ছ কবিতা

বিজয় সিংহ

 


গুচ্ছ কবিতা

পল্লববরন পাল

 


গুচ্ছ কবিতা

মণিজিঞ্জির সান্যাল

 


                       

বিদায় ডিপ্রেশন 

                                                                                                                                                    

  আজকের পৃথিবীতে মানুষের সব আছে, অথচ আবার কিছুই নেই। মাঝে মাঝেই একাকীত্ব, জীবনের প্রতি অনীহা তাকে চূড়ান্ত হতাশার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। কিন্তু কেন এমনটা হচ্ছে ?  তার পেছনে কিছু কারণ তো আছেই। প্রথমেই তাই জেনে নেওয়া যাক কাকে বলে বিষন্নতা।  

খেয়াল করে দেখবেন কিছু মানুষ কথায় কথায় বলেন ' আমি খুব ডিপ্রেশনে ভুগছি।'

কিন্তু কেন এই ডিপ্রেশন?

কি এই ডিপ্রেশন? 

বিপ্লব গঙ্গোপাধ্যায়

 

 


কবি মোহিনীমোহন গঙ্গোপাধ্যায়ের কবিতায় চেতনালোকের অন্তঃস্বর 

 

মনের মধ্যে  ভাবনাগুলো ক্রমাগত সাঁতার কেটে চলে। এই আনবিক সাঁতার থেকে একজন কবি তুলে আনেন অনুভূতির ক্রমিক বিচ্ছুরন । শব্দের বুননে অনুভবের  জাগরণে।  সেই অমিয় শব্দরেণুর স্বাদ পাই আমরা। অনিরুক্ত হাওয়ায় বাতাসে উড়ে বেড়ায় তার পরাগ। এই ধারাবাহিক প্রক্রিয়া চলতেই থাকে  চলতেই থাকে সারাজীবন। তার  পাশাপাশি চলতে থাকে আত্মিক সংলাপ।  ব্যক্তি মানুষ আর কবি  দুটো আলাদা সত্ত্বা। বিচ্ছিন্ন  না কি একই ? না কি এক সত্ত্বা থেকে কখনও কখনও বেরিয়ে আসে অবচেতনার ফ্রাগমেন্টস ? প্রস্তাবহীন সমর্পন। চেতনা এবং চেতনার সারফেস থেকে তৈরি হয়ে যায় অসংখ্য ছায়াবলয়। কবি আসলে নির্জন। সৃষ্টির প্রবল তাড়নায়  সে এক  নির্জন ঈশ্বর । স্মৃতির সম্ভোগ থেকে তৈরি করেন  নিজস্ব বিশ্ব। এক মগ্নপৃথিবী। বাইরের আমি অন্তরের আমিকে পর্যবেক্ষণ করে  চিন্তার আচ্ছন্নতা দিয়ে । সারাদিন ধরে , সারাজীবন ধরে । সে চা খাওয়া দেখে  ,  বিড়ির ধোঁয়া থেকে খুঁজে নেয় বিষাদবিলাপ। চুপচাপ পাশে দাড়িয়ে সব  কথা শোনে।  কবির অ্যানাটমির সাথে তার সামগ্রিক লিপ্ততা। এফোঁড় ওফোঁড় করে দেখে কবিকে ।   কিছুই গোপন থাকেনা  চৈতন্যদ্যুতির  বাইরে এক পরিদৃশ্যমান জগতের কাছে। এই সমান্তরাল সম্পর্ক বন্ধুত্বের প্রতিশব্দ হয়ে ওঠেনা। অংশীদার হয়ে ওঠেনা।  হয়ে ওঠেনা বলেই দৃষ্টির বহুস্তররীয় বিস্তার ঘটে । সম্মোহন এবং আচ্ছন্নতার  পরিসর অতিক্রম করে   নিরীক্ষন সম্ভব হয় ।     who was it that imparted form to man gave him majesty movement , manifestation and character , inspired him with wisdom music and dancing ? when this body was raised upwards  he found also the oblique sides of the other directions in him – he who is person  , the citadel of the infinite being .  

রঞ্জন মৈত্র

 



দুটি কবিতা

দেবযানী বসু-পরেশ গুণবন্তলাল মেওয়াদা



                                    ছবিতা

মানবেন্দ্র সাহা

 



দুটি কবিতা

পাপড়ি দাস সরকার

 



গুচ্ছ কবিতা

সমরেন্দ্র বিশ্বাস

 

বহির্বঙ্গে বাংলাচর্চার এক অনন্য পথিকৃৎ -

 শ্রী শিবব্রত দেওয়ানজী

[ প্রয়াণ - ৭ই আগস্ট- ২০২০ ]

 

বঙ্গ ও বহির্বঙ্গে থেকে যারা নিয়মিত সাহিত্য চর্চা করেন কিংবা লিটল ম্যাগাজিন বের করেন, তাদের অনেকের কাছেই শিবব্রত দেওয়ানজী একজন পরিচিত ব্যক্তিত্ব

শিবব্রত দেওয়ানজীর জীবনে্র ষাট বছরেরও বেশী সময় অতিবাহিত হয় অধুনা ছত্তিশগড়ের ভিলাই শিল্প শহরে ভিলাইতে পদার্পনের পর ১৯৫৭ সালে থেকেই তিনি মধ্যপ্রদেশের রুখাশুখা জমিতে সাহিত্যের তাগিদে অন্যান্য বাঙ্গালীদের সঙ্গে মিলে মিশে শুরু করেন নানাবিধ সাহিত্যচর্চা, ঘরোয়া সাহিত্য-আড্ডা। আমৃত্যু তিনি ছিলেন মধ্যবলয় পত্রিকার সম্পাদক ও ভিলাই বঙ্গীয় সাহিত্য সংস্থার  একজন মূল সংগঠক। বহির্বঙ্গে তিনি ছিলেন বহু মানুষের সাহিত্য চর্চার প্রেরণা! যদিও শেষের কিছু দিন তিনি শ্রবণজনিত সমস্যা ও নানান শারীরিক কারণে অসুস্থ ছিলেন। অবশেষে আমাদের সকলের এই প্রিয় মানুষটি প্রয়াত হন ২০২০র সাতই মে তারিখে

জ‍্যোতির্ময় মুখোপাধ্যায়

 


আমিত

অভিষেক ঘোষ

 



মেলানকোলি মূহুর্তরা  

অরিন্দম ঘোষ




স্রোতের বিপরীতে

মৌসুমী রায়

 


হারজিত

প্রদীপ চক্রবর্তী

 


ময়ূরের জলটপ্পা 

তৃষ্ণা বসাক


 ore


মধ্যিখানে চর

তৃতীয় পর্ব


নীল সবুজ মাতৃভূমি

 

ময়মনসিংহ স্টেশনের মধ্যে বিশেষত্ব  কিছু নেই। এপার বাংলার যেকোন রেলস্টেশনের মতোই। নোংরা, ধুলো পড়া চেহারা, তবে বেশ বড়।  অচেনা আকাশের একটা টান থাকেই, বাকিটা শরৎ ঋতুর হাতযশ। তার ওপর যখন ভীষণ চেনা আর প্রিয় মুখ দেখা দিল অচেনা প্লাটফর্মে, তখন এই কাগজেকলমে বিদেশ, স্বদেশ হয়ে উঠল। বাঙ্গালির দুর্গাপুজো তো আসলে ঘরে ফেরার উৎসব। সেই ঘর আপাতত নাটক ঘর লেন। স্টেশন থেকে খুব সামান্যই পথ। হাতে হাতে লাগেজ নিয়ে পৌঁছে যাওয়া গেল। আর যেতে যেতে এক নজর চোখ বুলিয়ে নেওয়া গেল পথের দুপাশে। বড় রাস্তা থেকে ঢুকে পড়ে একটি ছোট রাস্তা, নাটক ঘর লেন। যদিও লেন, তবু একে গলি বলা যাবে না। সেই রাস্তায় ঢুকে ডানহাতের বাড়িটার সামনে দরজার দুপাশে মঙ্গল ঘট বলে দিচ্ছিল এ বাড়িতে কোন আনন্দ উৎসব আছে। অবশ্য উৎসবের একেবারে শেষ দিনে আমরা এসে হাজির হলাম।

মৌমিতা পাল



দূর পাগল

গৌতম কুমার গুপ্ত

 


দুটি কবিতা


নীলিমা দেব

 



দুটি কবিতা

রথীন বন্দ্যোপাধ্যায়

 


গুচ্ছ কবিতা

হরিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়

 



দীর্ঘ কবিতা

সমর্পিতা ঘটক

 



জেগে থাকাও একটা ধর্ম

 

 “... আমি সর্বনাশ দিয়ে সর্বনাশ বাঁচাতে গিয়েছি

হাত ছুঁতে গিয়ে শুধু আগুন ছুঁয়েছি, আর তুমি

শূন্যের ভিতরে ওই বিষণ্ণ প্রতিভাকণা নিয়ে

আমার মুখের দিকে চেয়ে আছো বিষম পাহাড়ে।...” 

বিষম পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে আমরা তো একথাই বলতে চেয়েছি কবিকে। কুয়াশার মতো বিষণ্ণতা ঘিরে ধরেছে আমাদের। শুধু কি অসুখ শরীরে কিংবা মনে? কঠিন সময় এখন সর্বার্থে। সমাজ, রাজনীতি, নৈতিক পরিমণ্ডলে নৈরাজ্য কেবল।  এ হেন সময়ে কবির প্রস্থান ভীষণ করুণ।  রোগ, জরা, বার্ধক্য এসব কিছু্র অজুহাত চলে না কারও কারও প্রস্থানে। কবি শঙ্খ ঘোষে্র চলে যাওয়া এমনই তাঁর পাঠকের কাছে। মহামারীর তান্ডবে শোকের অবকাশটুকুও নেই। তিনিও হয়তো চাইতেন তেমনি, হই চই কম কিন্তু উষ্ণতাটুকু থাকুক অন্ধের স্পর্শের মতো। 

তৈমুর খান

 


 গুচ্ছকবিতা 

অভিজিৎ দাসকর্মকার

 


গুচ্ছ কবিতা

মানসী কবিরাজ

 


জলসত্র

তপন তরফদার

 




 বর্ণপরিচয় ও বোধোদয়

              আমারা শুরু করি  কিন্তু শেষ করিনা। আলোচনা করি কিন্তু  হৃদয়ে আনিনা। বাংলা ভাষার শুরু বর্ণপরিচয় দিয়ে আর  বোধোদয় শব্দের  গুরুত্ব অপরিসীম। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১২৯ বছর আগে ইশ্বর প্রাপ্তি হয়ে ও তার “বোধোদয়” আজও প্রণিধান। (১৮৯১খৃষ্টাব্দের ২৯শে জুলাই কলকাতার বাদুড় বাগানের বাসভবনে লিভারের  ক্যানসারে মৃত্যুবরণ করেন)  তার প্রজ্জ্বলিত মশালের অনির্বাণ  শিখা অমল রবির কিরণ হয়ে আমাদের পথ প্রদর্শক।তার সৃষ্টি গ্রন্থ আজও “মানব জাতির বোধোদয় জাগায়।“

তৌফিক জহুর

 


কাকলি মান্না




 দুটি কবিতা

বিকাশ চন্দ


 দুটি কবিতা

অমিত চক্রবর্তী


 দুটি কবিতা

চিরঞ্জীব হালদার

 



দুটি কবিতা

সুবল দত্ত

 




নির্বান পথ              

 

তনুশ্রী পাল

 


                                   কালবেলা

সজ্জ্বল দত্ত

 




গুচ্ছ কবিতা

রবিন বণিক

 

গুচ্ছ কবিতা


মন্দিরা ঘোষ

 



গুচ্ছ কবিতা

বাপন চক্রবর্তী

 


বর্ষাযাপন

পিয়াংকী

 



একটা পাঁচিল আর হাজার খানেক গাছ

মধুছন্দা মিত্র ঘোষ




সুকুমারদাকে মনে রেখে

         ‘মধুর’ – হ্যাঁ, এই নামেই সম্বোধন করতেন, নাগপুরের খনন পত্রিকা সম্পাদক সদ্যপ্রয়াত কবি শ্রী সুকুমার চৌধুরী দাদা। আমরা দেখা হলেই পরস্পরকে বলতাম, “আমচি মুম্বই”, “জয় মহারাষ্ট্র”, প্রত্যুত্তরে সুকুমারদাও বলতেন, “আমচি নাগপুর ...জয় মহারাষ্ট্র”। প্রায় দুই দশক ধরে পরিচয় এবং বর্হিবঙ্গের বহুল পরিচিত নামী ‘খনন’ পত্রিকায় আমার লেখালিখি। খনন পত্রিকার প্রতিটি সংখ্যায় নিয়মিত আমার লেখা প্রকাশ করতেন সুকুমারদা। সে ছোটগল্প, মুক্তগদ্য, বিষয়ভিত্তিক নিবন্ধ, কবিতা, পুস্তক পর্যালোচনা এবং হালে মরাঠা কবিতার অনুবাদ। খনন পত্রিকার প্রায় প্রতিটি সূচীপত্রে আমার নামটি থাকতই। এতোটাই প্রিয় লেখক হয়ে উঠেছিলাম পত্রিকা সম্পাদকের কাছে। 

বঙ্গ রাখাল

 


যদি আর দেখা নাহি হয় ওগো বন্ধু

মধুসূদন দরিপা

 


সেয়ানে সেয়ানে 

সোমা রায়

 


    অঙ্গুরীমাল